মেইন ম্যেনু

ফলো আপ

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে প্রশাসনের সমঝোতা : কৃষকের জীবনের দাম ৬ লাখ টাকা!

ভোলায় সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের পুলিশের পিটুনিতে ধাওয়া খেয়ে কৃষক জামাল উদ্দিন (৪৫) পুকুরে পড়ে গিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় ভাবে ৬ লাখ টাকার মৌখিক সমঝোতার মাধ্যমে অবরুদ্ধ ২ পুলিশ কনষ্টবলকে উদ্ধার করে পোষ্ট মর্টেম ছাড়াই লাশ দাফন করা হয়।

এঘটনায় দুপুর ১ টার দিকে ঘটনা স্থলে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস,ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন,আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হাই মাষ্টারসহ নিহতের ভাই কামাল,চাচা মোতাহার হোসেনসহ স্থানীয়দের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত পুলিশ পক্ষের সাথে সমঝোতা হয় বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এছাড়াও ওই সমঝোতা বৈঠকে ৬ লাখ টাকা নিহতের পরিবারকে দেয়া হবে বলেও শোনা গেছে। তবে লিখিত কোন চুক্তি হয়নি।

যে কারনেই পোষ্টমর্টেম ছাড়াই কৃষক জামালের লাশ দাফন করা হয়। তবে এ ব্যাপারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আ: হাই মাস্টার জানান, নিহতের অসহায় স্ত্রী তিন শিশু সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের কথা চিন্তা করে তাদের মতামত নিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সমঝোতা হয়েছে। এতে নিহতের পরিবার উপকৃত হবে। মামলা মকদ্দমা করে তাদের কোন লাভ হবে না।

অভিযোগ উঠেছে, দুপুরে এ ঘটনাটি ধামা চাপা দিতে নিহতের পরিবারকে ম্যানেজ করা হয়। পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় ভাবে ৬ লাখ টাকার মৌখিক সমঝোতার মাধ্যমে অবরুদ্ধ ওই ২ পুলিশ কনষ্টবলকে উদ্ধার করে পোষ্ট মর্টেম ছাড়াই লাশ দাফন করা হয়।

এমনকি এঘটনায় কোন মামলাও হয়নি। এদিকে এ ঘটনায় জনতার হাতে আটককৃত ২ পুলিশকে বরখাস্থ করা হয়েছে বলে ভোলা পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান নিশ্চিত করেন। তবে এখনও পুলিশ ওই কনষ্টবল ২জনকে আটক বা গ্রেফতার করেননি।