মেইন ম্যেনু

স্বর্ণের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হয় যে মসল্লা

চলতি বছর ইরান ৩০০ মেট্রিক টন ‘লোহিত স্বর্ণ’ উৎপাদন করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি মসল্লা জাফরানকে ‘লোহিত স্বর্ণ’ বলা হয়। ভালো বৃষ্টিপাতের ফলে চলতি বছর জাফরান উৎপাদনে ব্যাপক সফল হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা।

মার্চ মাসে শুরু হয় ফার্সি নতুন বছর। ইরানের খোরাসান প্রদেশে এ সময়েই জাফরান উৎপাদনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। ইরানের বেশির ভাগ জাফরানই উৎপাদিত হয় এ প্রদেশে। ভালো বৃষ্টিপাতের ফলেজা ফরানের ফুল ব্যাপক ভাবে ফুটেছে এবং উৎপাদন বেড়েছে। এ কথা বলেন ইরানের জাতীয় জাফরান পরিষদের আলি হোসেইনি।

ইরানের অন্যান্য প্রদেশের চেয়ে খোরাসানে জাফরানের ফলন সবচেয়ে বেশি হয়। গত বছর খোরাসানে ২১০ মেট্রিক টন ‘লোহিত স্বর্ণ’ হিসেবে পরিচিত মসল্লা জাফরান উৎপাদিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইরান বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাফরান উৎপাদন এবং রফতানিকারক দেশ। ঐহিত্যবাহী খাদ্য এবং মিষ্টি প্রস্তুতে সুগন্ধের জন্য জাফরান ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া ভেষজ এবং প্রসাধনী পণ্যেও জাফরান ব্যবহৃত হয়। তিন হাজার বছর আগে ইরানে জাফরান ব্যবহার শুরু হয়।

বিশ্বের জাফারনের প্রায় ৯০ শতাংশ উৎপাদিত হয় ইরানে। ইরানের জাফরান বিশ্বের অর্ধশতাধিক দেশে রফতানি হয়। অনুকূল পরিবেশের কারণে গুণেমানে সেরা জাফরান ইরানই উৎপন্ন করে।

বিশ্ব বাজারে এক কিলোগ্রাম ইরানি জাফরান ২০০০ ডলার দামে বিক্রি হয়। এ ছাড়া সেরা মানের জাফরানের প্রতি গ্রামের দাম ৬৫ ডলার হতে পারে। সোনার চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হয় এ পণ্য। সূত্র : রেডিও তেহরান