মেইন ম্যেনু

স্বাস্থ্য উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য দিনে কতবার মুখ ধোয়া উচিত?

ত্বকের সকল সমস্যা দেখা দেয় অপরিষ্কার ত্বকের কারণে। ত্বক অপরিষ্কার থাকলে সাধারণ যে সমস্যাটা দেখা দেয় সকলের ক্ষেত্রেই, তা হল ব্রণ। এই কারণে বিশেষজ্ঞরা সবসময় ত্বক পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ত্বক পরিষ্কার বলতে মূলত আমরা মুখ ধোয়াকে বুঝিয়ে থাকি। এর সাথে পানি প্রচুর পরিমাণে খাওয়া উচিত। কিন্তু এই মুখ ধোয়া দিনে কতবার করা ভাল, এই প্রশ্নটি অনেকের মনে আসে। আপনি যদি মনে করেন দিনে ৪ বার মুখ ধোয়া ভাল, তবে আপনি ভুল ধারণায় আছেন! এটি আপনার ত্বককে শুষ্ক করে দেবে। সাধারণত শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা দিনে একবার আর তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা দিনে দুইবার মুখ ধোয়া উচিত। মুখ ধোয়ার সময় কিছু নিয়ম মেনে চলুন।

১। সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার পর হালকা কোন ফেইস ওয়াশ অথবা ব্রণ ফ্রি ফেইসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সকালে মুখ ধোয়া ত্বকের রোমকূপ পরিষ্কার করে আপনাকে সতেজ একটি ভাব দিয়ে থাকে।

২। তৈলাক্ত ত্বকে ময়লা দ্রুত জমে। ফেইসওয়াশ অথবা সাবান ব্যবহারে অ্যালার্জি থাকলে শুধু ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল বিশেষভাবে কপাল, নাক এবং নাকের চারপাশে তেল দূর করে দেয়।

৩। সারাদিনের কাজ শেষে আরেকবার মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। এবার একটি হারবাল প্যাক ত্বকে লাগিয়ে নিন। তা হতে পারে ফল অথবা সবজির কোন প্যাক । সবচেয়ে ভাল হয় প্যাকটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখে লাগিয়ে নিন। এতে করে পরের দিন আপনি একটি ফ্রেশ সতেজ ত্বক পাবেন।

৪। আপনি যদি ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ফেইসওয়াশ ব্যবহার করেন, তবে টোনার ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।

৫। প্রতিবার মুখ ধোয়ার সময় ফেইসওয়াশ ব্যবহার করবেন না। ফেইসওয়াশে থাকা উপাদানগুলো ত্বককে রুক্ষ করে তোলে। ত্বক ডিপ ক্লিন করার পর টোনার ব্যবহার করতে পারেন। টোনার হিসেবে গোলাপ জল অথবা দুধ ব্যবহার করতে পারেন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৬। সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারীরা কুসুম গরম সাথে বেবী সাবান ব্যবহার করতে পারেন ত্বক পরিষ্কার করতে। তবে মনে রাখবেন খুব বেশি সময় ব্যয় করবেন না ত্বক। এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।