মেইন ম্যেনু

স্বাস্থ্য ভাল রাখতে চুমু…

‘চুমু’ শব্দটি কানে এলে সাধারণত যুবক-যুবতীদের মনে শুধু স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যকার চুমুর কথাটিই মনে পড়ে। কিন্তু বিষয়টি কি আসলেই তাই। আপনি যদি শুধু এমনটিই ভাবেন তাহলে ভুল করবেন।

আপনি আপনার আদরের ছোট্ট সন্তানকে চুমু দিতে পারেন বা আপনার আশপাশের ছোট্ট বাচ্চাকে চুমু দিতে পারেন। এছাড়া নিজের বাবা-মা তো আছেন। তবে আপনি কেন চুমু দেবেন এটি জানেন তো।

সম্পর্ক সুন্দর করতে, গভীর করতে চুমুর ভূমিকা যে অসীম তা সকলেই জানি। জানেন কি স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও দারুণ উপকারী চুমু? প্রতিদিন চুমু খেলে শুধু স্বাস্থ্য থাকবে ঝরঝরে, মন থাকবেন খুশি, উদ্যম বাড়বে জীবনে, সম্পর্ক হবে সুন্দর। জেনে নিন কী ভাবে স্বাস্থ্য ভাল রাখে চুমু।

-রক্তচাপ: চুমু রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

-হরমোন: চুমু সিরোটোনিন, ডোপেমিন, অক্সিটোসিনের মতো হ্যাপি হরমোন ক্ষরণে সাহায্য করে। ফলে মুড ভাল থাকে।

-মাথা যন্ত্রণা: চুমু খাওয়ার সময় শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। ফলে মাথা যন্ত্রণা, খিঁচ লাগা কমে যায়।

-দাঁত: চুমু খাওয়ার সময় লালক্ষরণ বেড়ে যায়। যা মুখ পরিষ্কার রাখে। দাঁত, মাড়ি থেকে নোংরা দূর করে ক্যাভিটি রুখতে সাহায্য করে।

-ওজন: গভীর চুমু আট থেকে ১৬ ক্যালরি পর্যন্ত ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

– চুমু দিলে স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধন সুদৃঢ় হয়। চিকিৎসকদের ভাষায়, চুমু দিলে ‘অক্সিটোসিন’ হরমোন উৎপাদন হয়। এটি একে অন্যের মধ্যে বন্ধন সৃষ্টি করতে সাহায্য করে।

-যৌন মিলন যে স্বামী-স্ত্রীকে শারীরিক আনন্দ দেয় এটি নতুন করে বলার কোনও প্রয়োজন পড়ে না। তবে চুমু তাদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

-চুমুর মাধ্যমে নারী-পুরুষের একে অপরের থুথু বিনিময় হয়। এটি মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানুষের শরীরের ইমমুনি সিস্টেম স্বাভাবিক রাখে।

-যদি কোনও কারণে কেউ মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত থাকে তাহলে তার কোনও মনোবিদের কাছে যাওয়ার দরকার নেই। সে তার স্ত্রীকে চুম্বন করলেই তার মানসিক হতাশা দূর হয়ে যাবে।

-যতি কখনও কারও মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা করে তাহলে স্ত্রী বা স্বামীকে খুব কাছে টেনে নিয়ে ‘লিপ কিস’ করুন। তাহলে দেখবেন সঙ্গে সঙ্গেই আপনার ব্যথা দূর হয়ে যাবে।

-চুমু মানুষের শরীরের ‘স্ট্রেস হরমোন’র কার্যক্ষমতা কমিয়ে আনে। এটি মানুষকে বিষাদের হাত থেকে মুক্তি দিয়ে ফুরফুরে মেজাজে থাকতে সাহায্য করে।

-চুমু মানুষের চেহারায় তারুণ্য ভাব বজায় রাখে। যদিও এর কারণে শরীরের কিছু ক্যালোরি ক্ষয় হয় তারপরও এটি মানুষের শরীরের জন্য খুব উপকারী।

এছাড়াও চুমুর আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি মানুষের মধ্যে শুধু আন্তরিকতার বন্ধনই বৃদ্ধি করে না এটি মানুষের স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও অনেক কার্যকরী।



« (পূর্বের সংবাদ)