মেইন ম্যেনু

হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে অমান্যকারীরাই নির্বোধ

আল্লাহ তাআলা মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের মর্যাদা ও তাঁর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। যা তিনি তাঁকে দুনিয়া ও পরকালে দান করেছেন। আল্লাহ তাআলা এ কথারও পরিষ্কার ঘোষণা দিচ্ছেন যে, যারা ইবরাহিম আলাইহিস সালামের ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া, তারা কাণ্ডজ্ঞানহীন বোকা ছাড়া আর কিছু নয়। কোনো জ্ঞানী জন থেকে এটা কল্পনাও করা যায় না। আল্লাহ তাআলা সে কথা সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করে বলেন-

‘যে নিজেকে নির্বোধ করে তুলেছে সে ব্যতিত কে ইবরাহিমের ধর্ম হতে বিমুখ হবে? এবং নিশ্চয়ই আমি তাকে এ পৃথিবীতে মনোনীত করেছিলাম, নিশ্চয় সে পরকালে সৎ কর্মশীলগণের অন্তর্ভূক্ত। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৩০)

আলোচ্য আয়াতের মাধ্যমেও আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের দাবিকে খণ্ডন করেছেন। ইয়াহুদি, নাসারা ও মুশরিকরা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে নেতা মানে কিন্তু তার ধর্ম অনুসরণ করে না। অথচ এ ধর্মের ওপর অটল-অবিচল থাকার জন্য হজরত ইবরাহিম ও হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম নিজেদের জন্য দোয়া করেছেন এবং পরবর্তী সন্তানদের অসিয়ত করে গেছেন। যেভাবে হজরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম তাঁর নিজের সন্তানদেরকে এ ধর্মের ওপর অটল-অবিচল থাকার অসিয়তে করে গেছেন।

আলোচ্য আয়াত নাজিলের কারণ-
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম তার দুই ভাতিজা সালিমা ও মুহাজিরকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিয়ে বললেন, তোমাদের জানা আছে যে, আল্লাহ তাআলা তাওরাতে বলেছেন যে, বনি ইসমাইলে একজন নবি সৃষ্টি করব; যার নাম হবে আহমাদ। যে ব্যক্তি তাকে নবি মানবে সে হিদায়াত লাভ করবে; আর যে তাঁকে মানবে না সে অভিশপ্ত। এ কথা শ্রবণে সালিমা ইসলাম গ্রহণ করলেন আর মহাজির ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এ প্রসঙ্গে সুরা বাক্বারার ১৩০ নম্বর আয়াত নাজিল হয়।

পরিশেষে…
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মুশরিকদের অনুকরণ ও অনুসরণ থেকে মুক্ত রাখুন। হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের ন্যায় একত্ববাদের একনিষ্ঠ অনুসারি হিসেবে কবুল করুন। আমিন।