মেইন ম্যেনু

হজের তালবিয়া বেশি বেশি পড়ুন

হজ ও ওমরা পালনকারীদের জন্য চার নিঃশ্বাসে তিনবার তালবিয়া পাঠ করা সুন্নাত। হজ বা ওমরা পালনে তালবিয়া পাঠ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সম্পূর্ণ তালবিয়া জুড়ে আল্লাহ তাআলার প্রশংসা ও তাঁর আনুগত্যের কথাই প্রকাশ পায়। তালবিয়া পাঠে রয়েছে অনেক ফজিলত রয়েছে। হজ ও ওমরা পালনকারীদের জন্য তালবিয়ার আরবি ও বাংলা উচ্চারণ ভাগভাগ করে তুলে ধরা হলো-

বাংলায় উচ্চারণ ও অর্থসহ তালবিয়া-

i) لَبَّيْكَ ا للّهُمَّ لَبَّيْكَ
ii) لَبَّيْكَ لاَ شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ
iii) اِنَّ الْحَمدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ
iv) لاَ شَرِيْكَ لَكَ

তালবিয়ার উচ্চারণ-
১. লাব্বাইক আল্লা-হুম্মা লাব্বাইক,
২. লাব্বাইক, লা-শারি-কা লাকা লাব্বাইক,
৩. ইন্নাল হামদা ওয়ান্ নি`মাতা লাকা ওয়াল-মুল্‌ক,
৪. লা শারি-কা লাক।”

তালবিয়ার অর্থ-
১. আমি হাজির হে আল্লাহ! আমি উপস্থিত!
২. আপনার ডাকে সাড়া দিতে আমি হাজির। আপনার কোন অংশীদার নেই।
৩. নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সম্পদরাজি আপনার এবং একচ্ছত্র আধিপত্য আপনার।
৪. আপনার কোন অংশীদার নেই।

পরিশেষে…
তালবিয়া পাঠের ফজিলত সম্পর্কিত ছোট্ট একটি হাদিস উল্লেখ করে শেষ করছি, হজরত সাহল ইবনে সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো মুসলমান ব্যক্তি তালবিয়া পাঠ করলে তার ডান দিক ও বাম দিকের পাথর ও বৃক্ষ তার সাথে তালবিয়া পাঠ করতে থাকে; যা পৃথিবীর এদিক ওদিক পর্যন্ত (প্রান্ত সীমায়) গিয়ে শেষ হয়। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)

আল্লাহ তাআলা হজ পালনকারী সমগ্র বিশ্ব থেকে আগত মুসলিম উম্মাহকে যথাযথ নিয়মে তালবিয়া পাঠ করে হাদিসে ঘোষিত ফজিলত অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।