মেইন ম্যেনু

হজের সময় এ যাবত পর্যন্ত মক্কায় যত দুর্ঘটনা ঘটেছে

মক্কা নগরীতে গতকালের দুর্ঘটনা প্রথম নয়, এর আগেও অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। গতকালের দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মারা গেছেন অন্তত ১০৭ এবং আহত হয়েছেন ২৩০ জন হজযাত্রী। এর আগের দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে গতকালের দুর্ঘটনার আগে ২০০৬ সালের ১২ জানুয়ারি আরেক দুর্ঘটনা ঘটে মক্কায়। সেদিন জামারাত সেতু থেকে নামার সময় পদদলিত হয়ে মারা যান অন্তত ৩৪০ জন হজযাত্রী। এ সময় আহত হন আরো অন্তত ২৯০ জন।

মিনায় শয়তানকে উদ্দেশ্য করে প্রতীকী ঢিল ছোঁড়ার আনুষ্ঠানিকতা পালনের পরে হজযাত্রীদের প্রবল চাপে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সে বছর সারা বিশ্ব থেকে ২.৫ মিলিয়ন মানুষ হজপালনে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।

২০০৬ সালের এই ঘটনার পর মিনায় তিনটি শয়তানকে পাথর ছোঁড়ার আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য শয়তানের প্রতিনিধিত্বমূলক স্তম্ভ ও জামারাত সেতুটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। সেতুটি অধিক সংখ্যক স্তম্ভ দিয়ে মজবুত ও প্রশস্ত করে বানানো হয়। এখন ওই সেতুটি দিয়ে শয়তানকে পাথর মারার স্তম্ভগুলো পর্যন্ত পৌঁছানো অনেক সহজ হয়ে গেছে।

ইউএস টুডে তাদের এক প্রতিবেদনে হজে যত দুর্ঘটনা হয়েছে সে সম্পর্কে জানিয়েছে।

২ জুলাই, ১৯৯০ : মক্কা থেকে হেঁটে যাওয়ার একটি টানেলের মধ্যে পদদলিত হয়ে মারা যান এক হাজার ৪২৬ জন হজ পালনকারী।

৯ এপ্রিল, ১৯৯৮ : জামারাত সেতুতে পদপিষ্ট হয়ে অন্তত ১১৮ জন নিহত ও ১৮০ জন আহত হন।

২৩ মে, ১৯৯৪ : শয়তানকে ঢিল ছোড়ার আনুষ্ঠানিকতায় মারা যান অন্তত ২৭০ হজ পালনকারী।

৫ মার্চ, ২০০১ : শয়তানকে পাথর মারার আনুষ্ঠানিকতা পালনের সময় পদদলিত হয়ে মারা যান ৩৫ জন হজ্জ পালনকারী।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩ : একই আনুষ্ঠানিকতা পালনের সময় ১৪ জন মারা যান।

১ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ : শয়তানকে ঢিল ছোড়ার আনুষ্ঠানিকতায় হুড়োহুড়িতে ২৫১ জন হজযাত্রী মারা যান। আহত হন ২৪৪ জন।

১২ জানুয়ারি ২০০৬ : পদদলিত হয়ে মারা যান অন্তত ৩৪০ জন আহত হন আরো অন্তত ২৯০ জন।

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ : ক্রেন ভেঙ্গে মারা যান অন্তত ১০৭ জন, আহত হয়েছেন ২৩০।