মেইন ম্যেনু

হরতালে সাড়া কম

যুদ্ধাপরাধ মামলায় আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী জামায়াতে ইসলামীর ডাকা সকাল-সন্ধ্যা ঢিলেঢালাভাবে চলছে। সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত হরতালের সমর্থনে রাজধানীর কোথাও মিছিল বা পিকেটিং করতে দেখা যায়নি।

রাজধানীর প্রতিটি সড়কে যান চলাচল প্রায় স্বাভাবিক রয়েছে।অটোরিকশা, রিকশার সঙ্গে প্রাইভেট কারও দেখা যাচ্ছে সড়কে। নাশকতা মোকাবেলায় রাজধানীর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।বাস-ট্রেন-লঞ্চ নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে ছেড়ে যায়।তবে যাত্রী কম থাকায় আন্ত:জেলা রুটের গাড়িগুলো নির্ধারিত সময়ের পরে গন্তব্যে ছেড়ে যেতে দেখা যায়।রাজধানীর কোনো কোনো সড়কে সকালে যানজট তৈরি হতে দেখা যায়।রাজধানীর সড়কে অনেক প্রাইভেট কারও চলতে দেখা যায়।

বুধবার সকালে আপিল বিভাগের রায় ঘোষণার পরপরই এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমদ ও সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান হরতাল আহ্বান করেন।

গতকাল সকালে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ নিজামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে তারা এই হরতাল আহ্বান করেন।

বিবৃতিতে জামায়াতের দুই নেতা অভিযোগ করেন, মতিউর রহমান নিজামীকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করে সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশকে এক ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে চায়।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, “মাওলানা নিজামী শুধু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরই নন, তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেমে দ্বীন, ইসলামি চিন্তাবিদ, একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা। সরকার জামায়াতে ইসলামীকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্য নিজামীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মিথ্যা মামলা করেছে।”

উল্লেখ্য, একই অভিযোগে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান, আব্দুল কাদের মোল্লা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়।