মেইন ম্যেনু

হাউজি খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৯

রাজশাহীতে হাউজি খেলার প্যান্ডেলে ফ্যান না থাকাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৯ জন আহত হয়েছে।

গুরুতর আহতরা হলেন, নগরীর সপুরা এলাকার সাইফুল ইসলাম (৩০) ও টিকাপাড়া গোরস্থান এলাকার ফয়সাল (৩২) নামে দুই জনসহ ৫ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত অন্যরা হলেন, নগরীর ছোট বনগ্রাম এলাকার সুমন (৩১), শিরোইল কানার মোড় এলাকার রুহুল আমিন (২৬) তার ছোট ভাই হাবিব (২২)। আহত বাঁকি চার জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ পরিচালিত স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়ামে দীর্ঘদিন ধরে হাউজি খেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। কিন্তু হাউজি খেলার প্যান্ডেলের খেলোয়াড়দের জন্য কোনো ফ্যান টাঙ্গানো হয়নি। এতে গরমে খেলোয়াড়দের সেখানে বসে থাকেতে সমস্যা জানিয়ে সেখানে ফ্যান টাঙানোর জন্য তাদের পক্ষ থেকে কমিটির লোকজনের কাছে দাবি জানানো হচ্ছিল। কিন্তু তার পরেও সেখানে ফ্যান না টাঙানোর ঘটনা নিয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কমিটির লোকজনদের সঙ্গে স্থানীয় সপুরা এলাকার আরিফ ও জুয়েলের কথা কাটাকাটি শুরু হয়।

একপর্যায়ে কমিটির হিসাবরক্ষক সিরাজ উদ্দিন মালদা কলোনি এলাকা থেকে কিছু লোকজন ডেকে নিয়ে এসে সপুরা এলাকার লোকজনের ওপর চড়াও হোন। খবর পেয়ে সপুরা এলাকা থেকেও স্থানীয়রা এসে সেখানে জড়ো হলে উভয়পক্ষের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। সংঘর্ষের সময় সপুরা এলাকার লোকজন জিমনেশিয়ামের নিচে দাঁড় করানো অন্তত কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরে খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষের শক্তি প্রদর্শনের জন্য উভয়পক্ষই কয়েক রাউন্ড পিস্তলের ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে এতে কেউ হতাহত না হলেও মারপিটের ঘটনায় অন্তত ৯ জন আহত হয়। এদের মধ্যে মালদা কলোনির সাইফুল ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদেরও প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদৎ হোসেন জানান, ঘটনার পরে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওসি আরো জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত হাউজি খেলা বন্ধ থাকবে। এর জন্য প্যান্ডেলে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে।