মেইন ম্যেনু

হাজার খাবারের ভিড়েও সুস্থ থাকার উপায়

ঈদে থাকবে হাজার খাবারের ভিড়। তেল-চর্বি থেকে শুরু করে মিষ্টি জাতীয় সব খাবারের আয়োজন থাকে এই দিনে। প্রতিটি পদ থেকে একটু করে খেলেও অভ্যাসের তুলনায় কখন যে বেশি খেয়ে ফেলেবেন তা টেরই পাবেন না। এরপর দেখা দিতে পারে হজমের গড়বড়সহ নানা সমস্যা। কিন্তু ঈদের এই খুশি ধরে রাখতে শরীরটাও যে ভালো রাখা দরকার।

খাবারের সঙ্গে সুস্বাস্থ্যের সম্পর্ক নিবিড়। তাই উৎসবের দিনেও যেন স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ বাদ না পড়ে। রমজান মাসজুড়ে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে থাকে ভিন্নতা। খাবার গ্রহণের সংযমে শরীর একটি প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত হয়ে যায়। তাই অন্যান্য সময়ের মতো ঈদের দিনও আমাদের খেয়াল রাখা দরকার খাবারে বৈচিত্র্য ও সমতার কথা। সেজন্য-

– সব ধরনের খাবার যেমন শস্যজাতীয়, প্রাণিজ, দুগ্ধজাত, শাক-সবজি ও ফল থেকে কিছু কিছু পরিমাণ খাওয়া উচিৎ।

– যে খাবারগুলোতে বেশি তেল, চিনি বা মসলাযুক্ত তা পরিমাণমতো খান। পারলে সব সময় পেট কিছুটা খালি রেখে খাবার গ্রহণ করুন।

– বেশি করে তরল জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। তবে, কোমল পানীয় এড়িয়ে চলা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ডাবের পানি ও ঘরে তৈরি ফলের জুস আপনার জন্য আদর্শ হতে পারে।

– খাবার অল্প অল্প করে ভালোমতো চিবিয়ে খান, যাতে দ্রুত হজম হয়।

– যেকোনো খাবার দ্বিতীয়বার নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে খাবার কম খাওয়া হবে।

– সালাদ বা সবজি দিয়ে খাওয়া শুরু করুন। পরে অন্যান্য খাবার খান। কাঁচা সালাদ খেতে ভুলবেন না।

– খাবারের শুরু ও শেষে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

– চা খেতে হলে খাবার শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক পরে খান। হারবাল টি বা গ্রিন টি অধিক স্বাস্থ্যকর। দুধ চায়ের পরিবর্তে রং চা খান। চিনির বদলে সামান্য মধু বা দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে খেতে পারেন।

– পেট বেশি খালি রেখেও আবার গ্যাসের সমস্যা বাধিয়ে বসবেন না।

– হজমের সুবিধার জন্য খাবারের পরে মৌরি খেতে পারেন।

– শাক-সবজি ও ফল একটা হলেও খান। এর ভিটামিন ও মিনারেলস অন্যান্য খাবার হজম করতে ও সুস্থ থাকতে সাহায়তা করবে।

– ঈদ এসেছে বলে একদম শুয়ে বসে দিন না পার করে কিছুটা শারীরিক পরিশ্রম করুন। এতে হজম প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে। কাজ না থাকলেও খাওয়ার পর কমপক্ষে ১৫ মিনিট হাঁটুন।

– সব প্রচেষ্টার পরেও যদি পেটে সমস্যা দেখা দেয় তবে ডাক্তারের পরামর্শে হজমের ওষুধ খেতে পারেন।