মেইন ম্যেনু

হাটের সীমানার বাইরে এলেই গরু আটক

নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে সড়কের পাশে হাট বসালে তাতে সড়ক বন্ধ হলে সেখানকার গরু আটক করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঈদুল আজহার নিরাপত্তা বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীতে সর্বমোট ২৩টি পশুর হাট বসবে। এসব হাট বসানোর জন্য সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্দিষ্ট স্থান দেওয়া হয়েছে। পশুর হাটের মধ্যে রয়েছে উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় সাতটি, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০টি এবং ঢাকা জেলায় ছয়টি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া অন্য কোথাও হাট বসলে কিংবা পশু চৌহার্দের বাইরে আসলে তা আটক করা হবে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে থাকা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাটের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও র‌্যাবের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা দেওয়া হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে সম্পূর্ণরুপে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ শুরু হবে। প্রতিটি হাটে ছিনতাই, রাহাজানি, চুরি ঠেকাতে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ পুলিশের কন্ট্রোল রুম থাকবে। ইজারাদার ও পুলিশের সমন্বয়ে সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি রাখা হবে। হাটের আশপাশের ব্যাংকগুলোতে সন্ধ্যাকালীন সেবা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং এর নিরাপত্তা দেওয়ার কথাও জানান কমিশনার।

মানি এস্কট সেবার কথা উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, মানি এস্কট সেবা দিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। যে কেউ এ সেবা নিতে চাইলে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। নিরাপত্তার কারণে মোটা অংকের টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে মানি এস্কট সেবা নিতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান কমিশনার।

তিনি বলেন, অনেক সময় এক হাটের পশু জোরপূর্বক অন্য হাটে নামিয়ে দেওয়া হয়। সেজন্য পশুবহনকারী ট্রাকে হাটের নাম সম্বলিত ব্যানার লাগাতে হবে। কেউ নির্দিষ্ট হাটে না গিয়ে মাঝপথে অন্য কোন হাটে পশু নামালে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল নেওয়া ব্যাপারে তিনি আরো বলেন, পশুর হাটে কেউ যাতে অতিরিক্ত হাসিল নিতে না পারে সেজন্য হাসিলের পরিমাণ ব্যানারে লিখে তা পশুর হাটে টাঙাতে বলা হয়েছে। কারো বিরুদ্ধে অতিরিক্ত হাসিল নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার ইব্রাহিম ফাতেমী, যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃঞ্চ পদ রায় ও মীর রেজাউল আলম (অপারেশন্স) এবং উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) মুনতাসিরুল ইসলাম।