মেইন ম্যেনু

হাত ধোওয়ার সময় যে ৫ ভুল আমরা করি

১। ধোওয়ার সময়: মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্য অনুযায়ী জীবাণু মারতে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধোওয়া উচিত্। কিন্তু বাস্তবে দেখা গিয়েছে বেশির ভাগ মানুষই গড়ে ছয় সেকেন্ডের বেশি হাত ধোন না। এ ছাড়াও সারা বিশ্বের ১৫ শতাংশ পুরুষ ও সাত শতাংশ মহিলা বাথরুমে ব্যবহারের পর হাত ধুতে ভুলে যান।

২। হাতের তালু: অনেকেই হাত ধোওয়ার সময় শুধু হাতের তালুতে সাবান দিয়ে কচলে ভাল করে ধুয়ে নেন। এতে কিন্তু জীবাণু সম্পূর্ণ মরে না। নখের তলায় ও আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে থেকে যায় জীবাণু, ধুলো , নোংরা। তাই প্রতি বার হাত ধোওয়ার সময় এই জায়গাগুলো ভাল করে ধোওয়া উচিত্।

৩। মোছা: বিশ্বের সেরা অ্যান্টিসেপটিক সাবান দিয়ে হাত ধুলেও লাভ হবে না যদি না ধোওয়ার পর হাত শুকনো করে মুছে নেন। কারণ ভেজা হাতে আবাপ নতুন করে জীবাণু জন্ম নেয়। অনেকেই হাত ধুয়ে মোছেন না। যখনই হাত ধোবেন তোয়ালে বা টিস্যু পেপার দিয়ে শুকনো করে হাত মুছে নিন। ব্যাগে রাখুন টিস্যু।

৪। শুধু বাথরুম ব্যবহারের পর: আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাঁরা শুধু বাথরুম ব্যবহার করার পরই হাত ধোন। কিন্তু চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, সারা দিন অনেক কিছু থেকে জীবাণু ছড়াতে পারে। লিফটের বোতাম, দরজার হাতল, এটিএম, সাবওয়ে বা বাসের হ্যান্ডল ধরার পর অবশ্যই হাত ধোওয়া উচিত্। এ সব জায়গা থেকে জীবাণু সংক্রমণ হয় সহজে। ব্যাগে রাখুন হ্যান্ড স্যানিটাইজার। অন্তত ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল যুক্ত স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

৫। গরম জল: ছোটবেলা থেকে আমরা শিখেছি জীবাণু ধ্বং‌স করতে গরম জলের প্রয়োজন। ইষদোষ্ণ জল বা ঠান্ডা জলে হাত ধুলেও একই কাজ হবে। ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য ২১২ ডিগ্রি ফুটন্ত জলের প্রয়োজন। যা দিয়ে হাত ধোওয়া কখনই সম্ভব নয়। যতটা গরম জল দিয়ে হাত ধুতে পারি তা ঠান্ডা জলের মতোই কাজ করে।