মেইন ম্যেনু

হামলা শুরু, ফ্রান্সই প্রধান টার্গেট : আইএস

ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক বিদ্রোহী গ্রুপ ইসলামিক স্টেট বা আইএস ফ্রান্সে হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, ফ্রান্সই তাদের প্রধান টার্গেট এবং দেশটিতে হামলা কেবল শুরু হল মাত্র।

শুক্রবার মধ্য রাতে রাজধানী প্যারিসসহ কয়েকটি স্থানে সিরিজ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১২৮ জন লোক নিহত হয়েছেন।

আইএস আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে বলেছে, তাদের আটজন সদস্য বিস্ফোরক বেল্ট ও মেশিনগান নিয়ে ওই হামলা চালায়। ফরাসি পত্রিকা শার্লি এবদোতে মহানবী হযরত মোহাম্মাদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি এবং ইরাক ও সিরিয়ায় আইএস দখলকৃত অঞ্চলে ফ্রান্সের বিমান হামলার জবাবে ওই সব হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

আইএস তাদের বিবৃতিতে বলেছে, এর মাধ্যমে দেশটিতে হামলা কেবল শুরু হল। যারা শিক্ষা নিতে প্রস্তুত এটি তাদের জন্য সতর্কতা। স্বেচ্ছাচারিতা ও কদর্যতার কারণে ফরাসী রাজধানীকে হামলার টার্গেট করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ফরাসী প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ এলিসি প্রাসাদ থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করে তিনি হামলার জন্য আইএসকে দায়ী করেন। এ হামলাকে তিনি ‘পরিকল্পিত ও বাইরে থেকে সংঘটিত’ বলে অভিহিত করেন।

IS2

প্যারিসের একাধিক স্থানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় অন্তত ১২৮ জন নিহত হয়েছে বলে সর্বশেষ তথ্যে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিহতের সংখ্যা দেড় শতাধিক বলে জানানো হয়েছিল।

কাছাকাছি সময়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার মধ্যরাতে প্যারিস ও সেন্ট-ড্যানিসের ছয়টি স্থানে হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে একটি কনসার্টে গুলি ও জিম্মির ঘটনায় শতাধিক লোক নিহত হয়েছেন।

দেশের সাধারণ নাগরিকদের ঘরে অবস্থান করার জন্য বলেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বাড়তি নিরাপত্তার জন্য নগরজুড়ে সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে ফ্রান্সে হামলার ঘটনায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাকা ওবামা নিন্দা জানিয়ে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি এ লড়াইয়ে ফ্রান্সের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

এ ছাড়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, জার্মান চ্যান্সেলর এ্যাঞ্জেলা ম্যার্কেল শোক ও নিন্দা জানিয়েছেন।