মেইন ম্যেনু

হার দিয়ে জিম্বাবোয়ে সফর শেষ ভারতের

অপরাজিত থেকে জিম্বাবোয়ে সফর শেষ করতে পারল না অজিঙ্ক রাহানের ভারত। দ্বিতীয় এবং শেষ টি-টোয়েন্টি হেরে গেল মাত্র দশ রানে। গোটা সফরে জিম্বাবোয়ে তাদের একমাত্র জয় পেল নিয়মিত অধিনায়ক এলটন চিগুম্বুরা নয়, পরিবর্ত ক্যাপ্টেন সিকন্দর রাজার নেতৃত্বে।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ম্যাচ শুরুর আগে ওয়ার্ম আপ করতে গিয়ে চোট পান চিগুম্বুরা। তাঁর বদলে টস করতে নামেন সিয়ালকোট-জাত রাজা এবং টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় গোটা সফর ধরে যিনি জিম্বাবোয়ের হয়ে লড়ে যাচ্ছিলেন, সেই চামু চিভাভার হাফসেঞ্চুরি না থাকলে নেতৃত্বের প্রথম স্বাদটা রাজার জন্য তেতো হয়ে থাকতে পারত। কিন্তু ওপেনার চিভাভা একা হাতেই জিম্বাবোয়ে ইনিংস গড়ার কাজটা করে যান। ৫১ বলে তাঁর ৬৭ রান বাদ দিলে বাকিদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোরার হ্যামিল্টন মাসাকাদজা (১৯)।

টি-টোয়েন্টি স্পেশ্যালিস্ট বোঝাই টিম ইন্ডিয়ার কাছে অবশ্য ১৪৫-৭ দারুণ ভয়ঙ্কর স্কোর ছিল না। প্রথম ওভারে রাহানে (৪) রান আউট হয়ে যাওয়ার পরেও তাই খুব বেশি আতঙ্ক তৈরি হয়নি। বিশেষ করে যখন ক্রিজে ছিলেন রবিন উথাপ্পা। কেকেআরের হয়ে আইপিএলে অন্যতম ধারাবাহিক ব্যাট দুটো টি-টোয়েন্টিতেই দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করলেন। শুক্রবার ৩৯ করেছিলেন, আর এ দিন ২৫ বলে ৪২ করে টিমকে জয়ের রাস্তার প্রায় অর্ধেক পার করিয়ে দিয়েছিলেন উথাপ্পা। তাঁকে বাদ দিলে টপ অর্ডার বিশেষ কিছু করে দেখাতে পারেনি। মুরলী বিজয় (১৩), মণীশ পাণ্ডে (০), কেদার যাদব (৫) ব্যর্থ।

ন’ওভারের মধ্যে ৬৯-৫ হয়ে যাওয়ার পর পাল্টা লড়াই দিচ্ছিলেন স্টুয়ার্ট বিনি (২৪) এবং সঞ্জু স্যামসন (১৯)। কিন্তু তাঁদের জুটিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি। বিনি-স্যামসন ফিরে যাওয়ার পরে ভারতের বাস্তব সুযোগ বলতে আর কিছু ছিল না। ভুবনেশ্বর কুমার (৯) এবং অক্ষর পটেল (১৩) মরিয়া চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি। ‘‘জিম্বাবোয়ে দারুণ বল আর ফিল্ডিং করেছে। ১৪৫ ধরাছোঁয়ার মধ্যে ছিল। কিন্তু মেনে নিচ্ছি যে, আমরা ভাল ব্যাট করতে পারিনি। পরপর উইকেট পড়ে যাওয়ায় চাপটাও সমানে ছিল। আজকের হারটা নিয়ে হতাশ লাগছে, তবে টিমের পারফরম্যান্সে আমি খুব খুশি,’’ বলেছেন রাহানে।

হাফসেঞ্চুরির পাশাপাশি দুর্দান্ত একটা ক্যাচ নিয়ে বিনিকে আউট করে ম্যাচের সেরা হলেন চিভাভা। আর এ দিনের জন্য জিম্বাবোয়ে অধিনায়ক রাজা বললেন, ‘‘গোটা সফরে বেসিক কিছু ভুল আমাদের ভুগিয়েছে। কিন্তু ভাল লাগছে যে শেষ ম্যাচে অন্তত সেগুলো শুধরে নেওয়া গিয়েছে।’’