মেইন ম্যেনু

হার দিয়ে শুরু মাশরাফিদের নিউজিল্যান্ড সফর

সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম ও মোসাদ্দেক হোসেন দারুণ ব্যাটিং করলেন। কিন্তু দলকে জেতাতে পারেননি তারা। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তাদেরকে হারানো যে কঠিন, সেটা আবারো টের পেল বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ৩৪১ রানের পাহাড়সম স্কোর গড়ে কেন উইলিয়ামসনের দল।

এতবড় রান এর আগে কখন চেজ করে জিততে পারেনি মাশরাফির দল। এবারও তাই হল। টাইগাররা হেরে গেল ৭৭ রানে। ক্রাইস্টচার্চের হেগলি ওভারে সোমবার টস হারে বাংলাদেশ। বোলিংয়ের শুরুটা ভালো হলেও শেষটা ধরে রাখতে পারেনি টাইগাররা। টম লাথামের ১৩৭ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ৩৪১ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৪৪.৫ ওভারে ২৬৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

জয়ের জন্য ৩৪২ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবাল-ইমরুল কায়েস জুটিতে আসলো ৩৪ রান। কিন্তু আগের সফরে সেঞ্চুরি করা ইমরুল কায়েস টিকে থাকলেন না। টিম সাউদির শিকার ১৬ রান করে। তামিম তবু তেড়েফুড়ে ওঠেন। এক সিরিজে বাদ ছিলেন। লাইফলাইন পাওয়া সৌম্য সরকার এরপর ১ রানেই বিদায়।

চাপ। বাংলাদেশের মিডল অর্ডার শক্ত। কিন্তু গত বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা মাহমুদউল্লাহ (০) ব্যর্থ। ১ উইকেট ৩৪ থেকে দেখতে না দেখতে ৪৮ রানে ৩ উইকেট নেই টাইগারদের! এরপর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৩৭ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়েন তামিম। কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ থাকতে পারলেন না। জেমস নিশামের অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বল অযথা ব্যাট চালালেন। তৃতীয় স্লিপে স্ন্যাটনার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে গেলেন তামিম। তবে পঞ্চম উইকেটে মুশফিকুর রহীমকে সঙ্গে নিয়ে দারুণ খেলতে থাকেন সাকিব। ৫৭ বলে ৬৩ রানের জুটি কিছুটা স্বপ্ন দেখাচ্ছিল বাংলাদেশকে। এরমধ্যে সাকিব তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৩২তম ওয়ানডে হাফ সেঞ্চুরি। দলীয় ১৪৪ রানে ফারগুসনের বলে তুলে মারতে যেয়ে মিড উইকেটে সাউদির হাতে ধরা পড়েন তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে ৫৪ বলে ৫৯ রান করেন সাকিব।

সাব্বিরও ফিরলেন দ্রুতই। তবে একপ্রান্তে আগলে ছিলেন মুশফিক। সপ্তম উইকেটে মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে দারুণ খেলতে থাকেন তিনি। এই সময় দুই জনই প্রতিপক্ষের বোলারদের উপর চড়াও হয়ে ব্যাট চালাতে থাকেন। কিন্তু ৩৮.৫ ওভারে পায়ের মাংস পেশীতে চোট পেয়ে আর ব্যাট করতে পারলেন মুশি। ৪২ রানে রিটার্ড হার্ট হয়ে তিনি ফিরে যান সাজঘেরে। পরে আর ব্যাটিংয়ে নামা হয়নি তার। একাই লড়লেন মোসাদ্দেক। তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু প্রয়োজনীয় রানের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছিলেনা অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৬৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে জেমস নিশাম ও ফারগুসন তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া টিম সাউদি ২টি ও স্ন্যাটার নিয়েছেন ১টি উইকেট।