মেইন ম্যেনু

হাসনাত-তাহমিদ লাপাত্তা, অ্যামনেস্টির উদ্বেগ

ঢাকার গুলশানে আর্টিজান রেস্তোরায় সন্ত্রাসী হামলায় রক্ষা পাওয়া হাসনাত করিম এবং তাহমিদ হাসিব খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ নিয়ে গেলেও তাদের হদিস পাওয়া যাচ্ছেনা।

দুদিন আগে অর্থাৎ ১০জুলাই পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ দুইজন এখন তাদের হেফাজতে নেই।

তবে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরা বাড়ি ফেরেননি। এর বেশি কিছু তারা বলতে নারাজ, এবং সাংবাদিকদের সাথে এই দুই পরিবার এখন কথা বলতে চাইছে না।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আজ (মঙ্গলবার) এক বিবৃতিতে বলেছে, হাসনাত করিম কোথায়, কীভাবে আছেন- বাংলাদেশের সরকারী কর্তৃপক্ষকে তা নিশ্চিত হয়ে জানাতে হবে।

অ্যামনেস্টির দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের পরিচালক চম্পা প্যাটেল বলেছেন, “হাসনাত করিমের পরিবারকে এমনিতেই অনেক মানসিক বিপর্যয় সইতে হয়েছে, তাকে এখনও ধরে রাখা হয়েছে কিনা, তা অবশ্যই পরিবারকে জানাতে হবে, তার সাথে পরিবারকে কথা বলতে দিতে হবে।“

পহেলা জুলাই সন্ত্রাসী হামলার দিন দুই বাচ্চা এবং স্ত্রীকে নিয়ে হলি আর্টিজানে আটকা পড়েন ঢাকার নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম এবং কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণ তাহমিদ খান। পরের দিনই বেঁচে যাওয়া কয়েকজনের সাথে এই দুজনকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি

অন্যদিকে, আমেরিকার বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, তাহমিদ খানের ব্যাপারে হস্তক্ষেপের জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর কাছে সোমবার চিঠি লেখা হয়েছে।

তাহমিদ খান টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং কানাডার স্থায়ী বাসিন্দা। তবে নাগরিক না হলে, কানাডা সরকার কিছু করতে পারে কিনা-তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তাহমিদ খানের কানাডা প্রবাসী ভাই তালহা খানকে উদ্ধৃত করে এপি লিখছে, ছেলের চিন্তায় ঢাকায় তার মা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন, আর বাবা সম্ভবত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিরাপত্তা সূত্র উল্লেখ করে একাধিক রিপোর্ট বেরিয়েছে যে গোয়েন্দারা খুঁজে দেখছেন এই দুজনের সাথে রেস্তোরায় হামলার কোনো যোগসূত্র ছিল কিনা। -বিবিসি বাংলা