মেইন ম্যেনু

হাস্যকর ও বিচিত্র কিছু আইন!

আপনি যদি ভ্রমণ পিপাসু হন তাহলে যে দেশে বেড়াতে যাবেন সেখানকার রীতিনীতি এবং আইনগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া আপনার জন্য ভালো। এটা শুধু আপনাকে আইন অমান্য থেকেই বিরত রাখবে না বরং অনেক সময় তা আনন্দের খোরাক যোগাবে। বিশ্বব্যাপী প্রচলিত এমন কিছু অবাক করা আইনই তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য।

অষ্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় শুধুমাত্র প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিদ্যুৎকর্মীরাই বৈদ্যুতিক বাতি পরিবর্তন করতে পারবেন।

ইতালির মিলানে আপনাকে সবসময় থাকতে হবে হাসিখুশি। তবে শেষকৃত্য অনুষ্ঠান হাসপাতলে গিয়ে আপনি হাসি মুখে না থাকলেও চলবে।

যুক্তরাজ্যের সংসদ ভবনে মারা যাওয়া বেআইনী।

কানাডার রেডিওতে প্রচারিত প্রতি পাঁচটি গানের মধ্যে একটি হতে হবে কানাডার কোনো শিল্পীর কন্ঠের।

সুমো কুস্তগীরের দেশ জাপানে আছে মোটা হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা। ৪০ ঊর্ধ্ব কোনো পুরুষের কোমড় হতে পারবে না ৩১ ইঞ্চির বেশি এবং নারীর ক্ষেত্রে এ মাপ ৩৫ ইঞ্চি।

সুইজারল্যান্ডে রাত ১০ টার পর টয়লেটের ফ্ল্যাশ বাটন চাপা নিষেধ।

কোথাও আগুন লাগলে সেখানে কিছু খাওয়া বেআইনী শিকাগোতে।

গ্রিসে নিষিদ্ধ ভিডিও গেম। ২০০২ সালে দেশটিতে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

রেকর্ড করা গানের সঙ্গে ঠোঁট মেলানো যাবে না। সংস্কৃতি রক্ষার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি হয় তুর্কমেনিস্তানে। পাশাপাশি, অপেরা এবং ব্যালের উপরও ফতোয়া জারি করা হয়।

চুয়িংগাম খেয়ে রাস্তায় যত্রতত্র ফেলার কারণে পরিবেশ নোংরা হয়। পরিষ্কার করতেও খরচ হয় প্রচুর। তাই সিঙ্গাপুরে ২০ বছর আগে চুয়িংগাম বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

নীল রঙা জিন্স প্যান্ট পরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে উত্তর কোরিয়া। সরকারের যুক্তি এটা নাকি যুক্তরাষ্ট্রেই শোভা পায়!

এক গ্লাসের বেশি মদ্যপান করতে পারবেন না বিবাহিত নারীরা। কারণ, বেশি মদ খেলে নাকি স্বামীরা তাঁদের ডিভোর্স দিতে পারেন। এই ফতোয়া জারি করা হয় বলিভিয়াতে।

সস নাকি যে কোনো সুস্বাদু খাবারের স্বাদই নষ্ট করে দেয়। তাই কোনোভাবেই খাওয়া বা ব্যবহার করা যাবে না সস! এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় ফ্রান্সে।

গরম গরম সিঙাড়া দেখলে কার না জিভে জল গড়ায়! কিন্তু এই সিঙাড়ার উপর যদি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়, তা হলে কেমন হবে? তবে সোমালিয়াতে কিন্তু সিঙাড়া চাইলেও পাবেন না। সিঙাড়ার আকার নাকি সেখানকার ধর্মীয় রীতিকে আঘাত করে।