মেইন ম্যেনু

হাড়ক্ষয় রোধে নারীর করণীয়

বর্তমানে প্রাপ্ত বয়স্কদের হাড়ক্ষয়ের সমস্যা অনেক বেশি। এই সমস্যায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংই নারী। পঞ্চাশোর্ধ বা মেনোপোজ নারীদের মধ্যে শতকরা ৫০ জনই হাড়ক্ষয়ের কারণে নানা রকম জটিলতায় ভুগছেন। আর তাই অধিকাংশর মনে ধারণা, বয়স বাড়ার সঙ্গে হাড়ক্ষয় অবধারিত একটি বিষয়। কিন্তু বর্তমানে জটিল এই রোগকে থামাতে আবিষ্কার হয়েছে দারুণ কিছু উপায়।

সঠিক জীবন ধারার অভ্যাস আপনার হাড়ের যত্ন শতভাগ নিশ্চিত করতে পারে। তরুণীদের চেয়ে বয়স্ক নারী বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। তবে আপনি কম বয়সী হোন আর বেশি বয়স্ক হোন নিজের সুস্থতা নিশ্চিত করতে হাড়ের যত্ন নিতে পারেন এখন থেকেই। হাড়ক্ষয় রোধে আপনার করণীয় হতে পারে-

মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন

মানসিক চাপের সঙ্গে হাড়ের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানসিক চাপে থাকলে দেহ থেকে কারটিসোল নামক একটি হরমোন নিঃসরণ হয়। এই হরমোন হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী। তাই মানসিক চাপটাকে যতো দূরে রাখবেন ততোই ভালো।

ভিটামিন ডি এর অভাব দূর

হাড়ের ক্ষয়রোধের জন্য ভিটামিন ডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব থাকে তবে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরেও হাড়ের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব হয় না। তাই হাড়ের সমস্যা ও ক্ষয় রোধ করতে ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার যেমন মাছ, মাছের তেল, দুধ, সয়া দুধ, ফলমূল খেয়ে এর অভাব পূরণ করতে হবে। তবে হাড়ের ক্ষয়রোধ থেকে বাঁচা যাবে।

পুষ্টিকর খাবার

মজবুত হাড়ের জন্য খাদ্যতালিকায় অবশ্যই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। কম ফ্যাট যুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খেতে হবে প্রতিদিন। দুধ, ডিম, কাঠবাদাম, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ, সবুজ শাকসবজি, ব্রকলি, প্রচুর পরিমাণে রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়। এতে হাড় মজবুত হবে।

ধূমপান ও মদ্যপান বাদ দিতে হবে

ধূমপানের ফলে হাড়ের ক্ষয় বাড়তে থাকে। তাই এ থেকে রক্ষা পেতে ধূমপান ও মদ্যপানকে বাদ দিতে হবে।

শারীরিক পরিশ্রম

টানা বসে কাজ করলে দেহের হাড়ের ভঙ্গুরতা বাড়ে। যারা প্রতিদিন শারীরিক পরিশ্রম বেশি করে তাদের হাড়ের ক্ষয় রোধ কম হয় বা হয় না। যারা একেবারেই শারীরিক পরিশ্রম করেন না তাদের হাড় অপেক্ষাকৃত নরম ও দুর্বল হয়ে পড়ে দ্রুতই। শারীরিক ব্যায়াম, খেলাধুলা, নাচ, সাইকেল চালানো, সাতার কাটা ইত্যাদি ভালো শারীরিক পরিশ্রম। এগুলো হাড়ের ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।