মেইন ম্যেনু

হিন্দু বিয়েতে সাত পাঁকের আর প্রয়োজন নেই!

হিন্দু বিয়ের রীতিতে সাত পাঁকে ঘুরা এবং বর কোণের সিতিতে সিঁদুর লাগিয়ে দেয় বলে আমরা সকলে জেনে আসছি। কিন্তু এই প্রথার পরিবর্তন হতে চলেছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত মূলত একটি হিন্দু রাষ্ট্র। কিন্তু সেখানেই হিন্দু বিয়ের প্রথায় সাত পাঁকের প্রয়োজন নেই বলে অধ্যাদেশ দিয়েছে আদালত।

প্রায় ৫০ বছর এর কিছু আগে তামিল নাড়ুতে ১৯৬৮ সালে মাদ্রাজের উচ্চ আদালতের জজ বলেছিলেন, হিন্দু বিয়ের জন্য পণ্ডিতের প্রয়োজন নেই এবং সাত পাঁকেরও প্রয়োজন নেই। এতে করে তারা বিয়ের সময় কমাতে চেয়েছিলেন।

ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে বিভিন্ন ধরণের নিয়মে বিবাহ সম্পাদন করা হয়। তাই বিয়েকে সাধারণ ও সময় কমানোর জন্য তারা এমন একটি বিয়ের রীতি তৈরি করতে চেয়েছেন যা সকল প্রদেশের সকলের নিকট পরিগণিত হয়।

আদালতের দায়িত্বরত দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট সাঞ্জে কিশান কউল এবং টিএস শিভাগনানাম রায়ে বলেছেন, হিন্দু ধর্মের মাঝে অনেক বহুত্ববাদী রয়েছে যার ফলে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন রীতিতে বিয়ে সপাদন করা হয়। নানা এলাকার ঐতিহ্যগত কারণে বিভিন্ন পোশাকে ও নিয়মে বিয়ের অস্তিত্ব রয়েছে।

তবে তামিল নাড়ু থেকে একটি বিশেষ ধরণের বিয়ের রীতিকে সর্বোপরি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এই বিয়ের নাম হল ‘সুয়ামারিয়াথাই’। অর্ধ-শতাব্দী ধরে পরীক্ষা করার পর এই বিশেষ ধরণের বিয়েকে দাড় করানো হয়েছে।–সূত্র: ইন্ডিয়া টাইম্‌স।