মেইন ম্যেনু

‘হিরোর মতো কাজ করেছে হাসানাত করিম’

গুলশানে রেস্তোরায় জঙ্গি হামলার সময় হাসনাত করিম ‘হিরোর’ মতো কাজ করেছেন বলে মনে করেন তার পিতা রেজাউল করিম।

বিবিসি বাংলাকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে রেজাউল করিম বলছেন, আমি তাহমিদের বাবার বিষয়টি জানি না, কিন্তু আমি মনে করি, আমার ছেলে হিরোর মতোই কাজ করেছে। আমি মনে করি, সে আটজনকে বাঁচিয়েছে। সে যদি আলাদাভাবে জঙ্গিদের সাথে ব্যবহার করতো, তাহলে যে আটজন বেঁচে ফিরেছে, হয়তো তারাও মারা যেতো।

তিনি বলেন, জঙ্গিরা যা করতে বলেছে, আমার ছেলে আর তাহমিদ তাই করেছে। এটা করে তারা তাদের জীবনটা বাঁচিয়েছে। আমি আমার ছেলের সঙ্গেই আছি।

তারা বন্দুকের মুখে এসব কাজ করতে বাধ্য হয়েছে, বলছেন রেজাউল করিম। হাসনাত করিমের কোন জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও তিনি জানান।

প্রায় একমাস ধরে হাসনাত করিম এবং তাহমিদ হাসিব খানের কোন খোঁজ ছিলো না। পুলিশ বলেছে, তারা তাদের হেফাজতে নেই। আবার পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তারা ফিরেও আসেনি।

তবে গত একমাস ধরে তিনি কোথায় আছেন, সেটি তারা জানতেন বলেও তিনি জানান।

কিন্তু প্রায় একমাস পরে বুধবার রাতে হাসনাত করিম এবং তাহমিদ খানকে গ্রেফতারের দাবি করে বাংলাদেশের পুলিশ।

বৃহস্পতিবার তাদের আটদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

এই গ্রেফতার প্রসঙ্গে রেজাউল করিম খান বলছেন, এ নিয়ে আমি কোন আলোচনা করতে চাই না। তারা পুলিশের কাছে আছে। আমার ডিবির উপর আস্থা আছে, যে তারা কোন অন্যায় করবে না।

কিছু কিছু গণমাধ্যম অন্যায়ভাবে তার ছেলেকে দোষারোপ করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

পয়লা জুলাই ওই রেস্তোরায় হামলার পর ভোরে বাইরে বেরিয়ে আসেন বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম। আর কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র তাহমিদ খানকে কমান্ডো অভিযানের সময় বের করে আনা হয়।

ঘটনার পরপরই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। তবে কয়েকদিন পর পুলিশ তাদের ছেড়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু তারা কোথায় আছেন সে সম্পর্কে কিছুই জানাতে পারেনি পুলিশ কিংবা তাদের পরিবার।