মেইন ম্যেনু

হিলারি-ইউনূস ইমেইল চালাচালি তদন্ত করবে সরকার

গ্রামীণ ব্যাংক ও আওয়ামী লীগ সরকারের মধ্যে সৃষ্ট টানাপোড়েনের সমাধানে মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের পদক্ষেপ কামনায় ইমেইল করেন বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিষয়টিকে ‘দুঃখজনক’ বলছে আওয়ামী লীগ আর বিএনপি বলছে ‘অত্যাবশ্যক’। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ‘স্বাভাবিক’।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিদের কাছে ধর্না দেয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া এটা কখনো কাম্য নয়। তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। এভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয় না। এভাবে অশান্তিকে উসকে দেয়া হয়েছে। তার কাছ থেকে এমনটা আশা করি নাই।’

সরকার অথবা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টা পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জেনেছি। পরে তদন্ত সাপেক্ষে সরকার সিদ্ধান্ত নিবে।’

এ বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক একটি উদ্যোগের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সমর্থন তো চাইতেই হবে। গ্রামীণ ব্যাংক বিশ্বব্যাপী দরিদ্রতা নির্মূলে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সম্প্রতি ড. ইউনুস ভারতে তামিলনাড়ুতে শিল্পকে বাঁচাতে ডাক পেয়েছেন। এছাড়া তিনি দেশি-বিদেশি অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। এমন একটা মানুষ দেশের ক্ষতি চাননি। তিনি তার স্বপ্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে সহযোগিতা চেয়েছেন। যা রাজনৈতিক, কৌশলগত বা দেশের নিরাপত্তাজনিত কোনো বিষয় না। এ ধরনের সহযোগিতা তিনি চাইতেই পারেন। আমাদের সবাই মিলে সাহায্য চাওয়া উচিৎ ছিল।’

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আফসান চৌধুরী বলেন, ‘হিলারি ক্লিনটন ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের বন্ধু। তিনি তার বন্ধুর কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন এটা কোনো অন্যায় না। কোথায় লেখা আছে বিপদে পড়লে বিদেশি প্রভাবশালী বন্ধুর সহযোগিতা নিতে পারবে না। তিনি কোনো দোষ বা অপরাধ করেননি। সরকারও তো বিপদে পড়লে জাতিসংঘের সহযোগিতা চায়।’