মেইন ম্যেনু

‘হৃদযন্ত্র’ ছাড়াই ১ বছর ধরে বেঁচে ছিলেন এই যুবক

এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, বছরে অন্তত সাড়ে পাঁচ মিলিয়ন আমেরিকান বেহাল হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভোগেন। এদের সকলকেই ‘ডোনার’-এর জন্য অপেক্ষা করতে হয়। স্টান লারকিন। মিশিগানের এই যুবক ৫৫৫ দিন ধরে হৃদযন্ত্র ছাড়াই ২৪ ঘণ্টা স্বাভাবিক মানুষের মতো শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তচাপ নিয়ে বেঁচে ছিলেন। বর্তমানে স্টানের শরীরে প্রতিস্থাপিত হয়েছে হৃদযন্ত্র। খবর এবেলা’র।

স্টান ও তার ভাই দমিনিক দু’জনেই অল্পবয়স থেকে পারিবারিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এক জিন ঘটিত কারণে দু’জনেরই হৃদযন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। দুই ভাই-এর জীবন বাঁচানোর জন্য দরকার ছিল হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের।

কিন্তু, ডোনার না পাওয়ায়, ইউনিভার্সিট অফ মিশিগানের ফ্রাঙ্কেল কার্ডিওভাসকুলার সেন্টারের চিকিৎসক ‘সিনকার্ডিয়া’ নামে একটি যন্ত্রের সঙ্গে শরীরকে জুড়ে দেন। পিঠব্যাগের মধ্যে রাখা থাকত ৬ কিলো ওজনের ‘সিনকার্ডিয়া’ যন্ত্রটি। এখান থেকে বের হওয়া পাইপ শরীরের সঙ্গে জুড়ে থাকত। এই পাইপের মধ্যে দিয়ে ‘সিনকার্ডিয়া’ থেকে অক্সিজেন শরীরে প্রবেশ করে ‘ভাসকুলার সিস্টেমে’-এর মধ্যে দিয়ে শরীরের রক্ত প্রবাহকে ঠিকঠাক রাখত।

স্টান-এর দমিনিকি কিছু দিনের মধ্যে ‘ডোনার পেয়ে যাওয়ায় তাঁর হৃদযন্ত্র তাড়াতাড়ি প্রতিস্থাপিত হয়। কিন্তু, স্টান ‘ডোনার’ পান বছর খানেকের মাথায়। সবমিলিয়ে অকেজো হৃদযন্ত্র নিয়ে ৫৫৫দিন কাটানোর পর স্টানের শরীরে প্রতিস্থাপিত হয় হৃদযন্ত্র।