মেইন ম্যেনু

হৃদয়ের বয়স আপনার চেয়ে বেশি!

হৃৎপিণ্ডের বয়স মানুষের প্রকৃত বয়সের চেয়ে বেশি! এটা অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কনট্রোল সম্প্রতি এক সমীক্ষা করে দেখেছে, বেশিরভাগ পুরুষের হৃৎপিণ্ড তাদের আসল বয়সের থেকে প্রায় আট বছরের বড় এবং নারীদের ক্ষেত্রে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর বেশি।

তবে যাদের হৃদরোগের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে আসল বয়সের থেকে হৃৎপিণ্ডের বয়স ১০-১৫ বছর বেশি!

এ ফলাফল মার্কিনীদের মধ্যে পরিচালিত জরিপে প্রাপ্ত। কিন্তু ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের অবস্থা নাকি আরো সঙ্কটজনক। চিকিৎসকদের মতে, জিন ঘটিত কারণে এ অঞ্চলের হৃৎপিণ্ডের অবস্থা পশ্চিমীদের তুলনায় বেশি খারাপ। এর সঙ্গে রয়েছে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্ত চাপ এবং অত্যধিক ধূমপানের প্রবণতা। সব মিলিয়ে তাদের হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা কয়েকগুণ বেশি।

হৃৎপিণ্ডের বয়স নির্ধারণ করার কিছু কৌশল আছে। এটা করা হয় কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমের অবস্থা দেখে। কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম কতটা সুস্থ তা আবার নির্ভর করে কয়েকটি রিস্ক প্রোফাইলের ওপর। এগুলো হলো- উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ধূমপান, ডায়াবেটিস এবং স্থূলতা।

গবেষকদের মতে, এই সব ‘রিস্ক প্রোফাইল’ বা রোগের জন্যে দায়ী আধুনিক মানুষের জীবনযাপন পদ্ধতি। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার দোহাই দিয়ে বেশিরভাগ মানুষই শরীরচর্চা ভুলে যেতে বসেছেন। এমনকি হাঁটাহাঁটি করতেও অনেকে অনীহা। সেই সঙ্গে রয়েছে মদ্যপান, ধূমপান, খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম এবং মাত্রাতিরিক্ত স্ট্রেস ও টেনশন। সব মিলিয়ে সময়ের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছে মানুষের শরীর।



« (পূর্বের সংবাদ)