মেইন ম্যেনু

হেমন্ত ছুঁই ছুঁই, বর্ষা তবু ঠায় দাঁড়িয়ে

ভাদ্র-আশ্বিন শরতকাল। এখন আশ্বিন এখন যাই যাই করছে। দ্বারে হেমন্তের আহ্বান। কিন্তু প্রকৃতি যেন সেই বর্ষাতেই ঠায় দাঁড়িয়ে। রাজধানীর সড়ক আজো (সোমবার) দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎই ঝুম বৃষ্টিতে একাকার হল।

শরৎ মানেই গাঁয়ের মেঠো পথে ভোরের হালকা কুয়াশা। খাল, বিল, নদীতে নিরুত্তাপ ঢেউ। কাশবনে মৃদু বাতাস। বাতাসের তালে কাশফুলের দোল। ঝকঝকে কাচের মতো স্বচ্ছ নীলাকাশ। পেঁজো তুলার শুভ্র মেঘমালা। শরতের চোখে কোনো হিংস্রতা নেই। বসন্তের চোখধাঁধানো রঙবাহারির সাজ নেই। গ্রীষ্মের গগণবিদারী তর্জন-গর্জন নেই। শরৎ বড় নিবিড়। পবিত্র মেয়ের মতো শান্ত। কোমল, মায়াবি।

কিন্তু এমন হঠাৎ বৃষ্টিতে সচকিত নগরবাসী। রিকশায় হুট তুলে, পলিথিন মুড়ি দিয়ে গন্তব্যে চলেছেন যাত্রীরা। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আবহওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে মৌসুমী বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দূর্বল অবস্থায় বিরাজ করছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

সোমবার সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও বলা হয়েছে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হতে বিতারিত হতে পারে জানানো হয়েছে।