মেইন ম্যেনু

হোয়াটসঅ্যাপের অবদানে বেকারত্ব ঘুচলো ছয় যুবকের!

কেউ কেউ মনে করেন প্রযুক্তি যুবসমাজ ধ্বংসের কারণ! আবার অধিক আংশের মতে যুগের সাথে প্রযুক্তি তাল মিলিয়ে চলছে। এই প্রযুক্তির কারণেই আমাদের জীবন যাত্রার মান দিনে দিনে উন্নতির দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। যদি কাউকে প্রশ্ন করা হয়- এক কথায় বলুনতো, প্রযুক্তি কি? অনেকে হয়তোবা খুব সোজা ভাষায় উত্তর দিবেন, দূরত্ব ও সময়ের ব্যবধান যা কমায় তাই হল প্রযুক্তি। বোঝা গেল না? তাহলে একটা উদাহরণ দেয়া যাক- চাকরির জন্য অনেকেই পরীক্ষা দিতে পাড়ি জমাতে হয় অনেক দুরে দুরে। যেমন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম। অথবা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা।

কিন্তু আপনার হাতে সময়ও খুব কম এসময় আপনি কি করবেন? এত দ্রুত যেতে হলে আপনাকে নিতে হতে পারে বিমানের সাহয্য! এছাড়া কোনো ভাবেই এত দ্রুত আপনি সেখানে গিয়ে পৌঁছাতে পারবেন না। কিন্তু এতো অনেক খরেছের বিষয়। বাসে বা ট্রেনে যেতে সময়ও অনেক লেগে যাবে। তাহলে সময় এবং দূরত্বকে একেবারে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে হলে কি করবেন? যেটা করবেন, সেটা হল প্রযুক্তির সাহয্য নেবেন।

অবশ্য উন্নত বিশ্ব তাই করে। আর উন্নতদের পথেই এবার উন্নতশীলরাও। স্কাইপে ভিডিও কলিংয়ের সুবিধা নিয়ে বাড়িতে বসেই কোম্পানির মুখোমুখি বসার সুযোগ করে দিয়েছে প্রযুক্তি। কমেছে খরচও। এবার আরো সহজ উপায়। স্কাইপ অনেকেই ব্যবহার করেন না। তবে হোয়াটস অ্যাপ তো ঘরে ঘরে আর মোবাইলে মোবাইলে। আর এই সহজলভ্য হোয়াটসঅ্যাপকে কাজে লাগিয়ে এবার চাকরির সাক্ষাৎকার। বাস্তবেই এর সাহয্যে চাকরি হল ৬ বেকারের।

আর যারা এই কাজটি করে দেখালেন, তারা ভারতের মুম্বাইয়ের জেভিয়ার্স ইনসটিউট। কমিউনিকেশন বিভাগ থেকে তৈরি করা হয়েছিল ‘দ্য ইন্টার্নশিপ’ একটা হোয়াটসঅ্যাপ টিম। তারাই ইন্টারভিউ নিয়েছিল ও ছয় বেকারের। অবশেষে চাকরিও হয়ে গেলাে তদের!