মেইন ম্যেনু

হোয়াটস্ অ্যাপে স্ত্রীকে তালাক দিলেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার!

ভারতে ‘তিন তালাক’ নিয়ে বিতর্কের মাঝেই এক নারী হোয়াটস্ অ্যাপে ডিভোর্সের নোটিশ পেলেন এক নারী। বদর ইব্রাহীম নামে হায়দরাবাদের সে নারী জানান হোয়াটস্ অ্যাপ ভিডিওতে তাকে ডিভোর্স নোটিশ পাঠানো হয়। এবং তার স্বামীর পরিবার এও বলেন, ‘আশা করি তুমি একটি ভালো বর পাও।’ উল্লেখ্য মুদাসসির আহমেদ খান নামে সে বর একজন সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার বলে জানা গেছে। খবর এনডিটিভির।
এমবিএ পাশ করা কনে বদর ইব্রাহীম ও সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার মুদাসসির আহমেদ খানের মধ্যে বিয়ে হয় গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে। মুদাসসির সৌদি আরবের রিয়াদে একটি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকে চাকরি করেন। গত বছর বিয়ের পর তারা ২০ দিন একসাথে ছিলেন। তারপর বর সৌদি ফিরে যায়।
কনে বদর ইব্রাহীম হায়দরাবাদে থেকে যান এবং প্রথম দিকে তাদের মধ্যে নিয়মিত ফোনালাপ হতো। কিন্তু গত সেপ্টেম্বর স্বামীর কাছ থেকে ‘তিন তালাক’ এর মেসেজটি পান।
মেসেজ পাওয়ার পর শ্বশুর বাড়িতে যান। কিন্তু তার শ্বশুর-শাশুড়ি বাসায় প্রবেশ করতে দেয়নি। তার শ্বশুর নাকি তাকে জানিয়েছিল তার স্বামী তাকে ডিভোর্স দিয়েছে এবং তাদের মধ্যে বিয়েটি একটি দুর্ঘটনা ছিল। পুত্রবধূর কোনো প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বলেন, ‘আমি দোয়া করবো তুমি ভালো বর পাও।’
কয়েকদিন পর তার কাছে ‘তালাকনামা’ ও ডিভোর্স পেপার পাঠানো হয়।
গতকাল বদর ইব্রাহীম মামলা করার সময় বলেন ‘তিন তালাক’এর অপব্যবহার রোধ করার জন্য সরকারের কঠোর আইন করা উচিৎ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ ধরনের লোকের জেল হওয়ার উচিত এবং জামিন নামঞ্জুর করা উচিৎ।’
হায়দরাবাদে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ডিভোর্সের ঘটনা ঘটেছে অনলাইনে। মেসেজ দিয়ে বা স্থানীয় পত্রিকায় ডিভোর্সের বিজ্ঞাপন দিয়ে তালাক দেওয়া হয়েছে।
তিন তালাক নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উত্তর প্রদেশের আলোচিত মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সহ আরও অনেকেই। হোয়াটস্ অ্যাপে তিন তালাকের ঘটনাটি এই বিতর্ককে আরও উসকে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।