মেইন ম্যেনু

১০০ টাকার টিকেট নিয়েই গ্র্যান্ড স্টান্ডে ঢুকেছিল ওই দর্শক!

আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে মাঠে ঢুকে পড়া দর্শকটি পূর্ব গ্যালারির টিকেট নিয়েই গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে বসেছিলেন। বিসিবির লজিস্টিকস কমিটির একজনই তাকে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে অবৈধভাবে এনেছিলেন বলে জানা যায়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

মেহেদির অবৈধভাবে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে ঢোকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির নিরাপত্তা উপদেষ্টা হোসেন ইমাম।

তিনি বলেন, “১০০ টাকার টিকিট নিয়ে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে ঢুকেছিল ছেলেটি। আমাদেরই একজন তাকে নিয়ে এসেছিল এখানে। আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি সে মাশরাফির ক্রেজি ফ্যান। আমরা মামলা করার কথা ভাবছি।”

বিসিবির বিভিন্ন সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে, সুমন নামে বোর্ডের লজিস্টিকস কমিটির এক সদস্য মেহেদিকে নিয়ে এসেছিলেন গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে। ঘটনার পর থেকে সুমন লাপাত্তা।

এক নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানা,“আমাদের যে ছেলেটি তাকে ভেতরে এনেছিল, তার ফোন বন্ধ। বাসায় পুলিশ গিয়েছিল পাওয়া যায়নি। ওকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি আমরা।”
সব কিছু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।

“আমরা যদি দেখি যে তার ঢোকাটা যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়নি, সেটা আমরা খতিয়ে দেখব। দায়িত্বে অবহেলা থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি সত্যিই কিছু বের হয় এখান থেকে, আমরা সেটা অ্যাড্রেস না করলে তো হবে না। আমি বলছি না যে তেমন কিছু হয়েছে। তবে যদি কিছু হয়, অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।”

আপাতত এটিকে খুব বড় করে দেখছে না বিসিবি। প্রধান নির্বাহী জানালেন, নিরাপত্তা কমিটিই খতিয়ে দেখবে সব কিছু।

“নিরাপত্তার ব্যাপারটি সিকিউরিটি কমিটিই দেখছে পুরোপুরি। ওদের হাতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওরা যা সুপারিশ করবে, আমরা সে অনুযায়ী এগোব। আমাদের এখানেও যদি কোনো লুপহোলস থাকে, সেটা অবশ্যই খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।”

শনিবার রাত থেকেই দেশজুড়ে অন্যতম আলোচিত ঘটনা ওই ছেলের মাঠে ঢুকে যাওয়া। রোববারও দিনজুড়ে বিসিবিতে ছিল এটির চর্চা, দেখা গেছে নানা নিরাপত্তা তৎপরতা।

গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড থেকে এখন খুব সহজেই নেমে যাওয়া যায় মাঠে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিসিবিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডেও মোটামুটি উঁচু বেড়া জাতীয় কিছু করার।

খুব বড় কোনো পরিবর্তন না হলেও কিছু একটা করার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন প্রধান নির্বাহীও।

“হয়ত খুব বড় কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন হবে না। তবে কিছু একটা হয়ত করতে হবে, অন্তত সাইকোলিজক্যাল একটা প্রতিবন্ধকতা যেন থাকে। সৌন্দর্য্য যাতে নষ্ট না হয়, সেটাও মাথায় রাখতে হবে। আমাদের স্ট্রাকচারাল টিমের সঙ্গে কথা বলে দেখব আমরা।”