মেইন ম্যেনু

১০ বছরে দেশে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি

চলতি বছরের মে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশে; যা গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ।

এদিকে মে মাসে খাদ্যপণ্যের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশে; যা এপ্রিলে ছিল ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর মে মাসে খাদ্য বর্হিভূত পণ্যের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯২ শতাংশে; যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বরাত দিয়ে সোমবার বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিবিএস এর মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশে; যা গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি।’

তিনি বলেন, ‘ক্রমাগতভাবে আমাদের মূল্যস্ফীতি কমছে। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে এবং খাদ্য জাতীয় পণ্যেও দাম কমায় মূল্যস্ফীতি কমেছে। সবজি ও ফসল ভাল হওয়ায়, আমদানি ব্যয় কমায় এবং দেশের অভ্যন্তরে তেলের দাম কমানোয় সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রভাব বাজারে কিছুটা পড়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘চলতি মাস রোজার মাস হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে। ফলে এ মাসে কিছুটা মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে, তবে তা খুব বেশি হবে না।’

বিবিএস’র তথ্যানুযায়ী, মে মাসে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশে; যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক শূণ্য ৮ শতাংশে; যা তার আগের মাসে ছিল ৩ দশমিক ১১ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মে মাসে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ; যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৮০ শতাংশ।

মে মাসে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক শূণ্য ৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ২২ শতাংশ। খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মে মাসে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশে; যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ১১ শতাংশ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- পরিকল্পনা সচিব তারিক-উল–ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল আলম, আইএমইডির সচিব ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াজেদ প্রমুখ।