মেইন ম্যেনু

১০ সেপ্টেম্বরের টিকিটের জন্য কমলাপুরে হাহাকার

ট্রেনের ১০ সেপ্টেম্বরের অগ্রিম টিকিটের জন্য কমলাপুরে ঈদে ঘরমুখো মানুষের মধ্যে হাহাকার পড়েছে। গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ বৃহস্পতিবার কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকিট প্রত্যাশীদের প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

টিকিট প্রত্যাশীদের প্রতিটি লাইন স্টেশনের ফ্লাটফর্ম অতিক্রম করে বাইরে অনেক দূর পর্যন্ত চলে এসেছে।

প্রচণ্ড ভিড় ও গরমে অনেক টিকিটপ্রত্যাশী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এদের অনেকেই আবার টিকিট পাবে না ভেবে লাইন ভেঙে বের হয়ে যেতে দেখা গেছে।

চাহিদা অনুয়ায়ী টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন টিকিট প্রত্যাশীরা।

স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বলেন, ১০ সেপ্টেম্বর ঈদের ছুটি শুরুর আগের দিন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্মজীবীদের শেষ কর্মদিবস। তাই এদিনের টিকিট প্রত্যাশীও বেশি।

তিনি বলেন, প্রতিদিন ২১ হাজার টিকিট দেয়া হচ্ছে। এই টিকিট দিয়ে যে সবার চাহিদা পূরণ হবে তাও কিন্তু নয়। সেক্ষেত্রে কেউ হয়তো টিকিট নাও পেতে পারেন।

তবে সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি করে শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কাউন্টার খোলা থাকছে, বলেন স্টেশন ম্যানেজার।

এদিকে নারীদের জন্য একটিমাত্র কাউন্টার থাকায় টিকিট পেতে তাদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

তবে শৃংখলা রক্ষায় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও রেলওয়ে পুলিশের তৎপরতা দেখা গেছে।

রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মজিদ জানান, প্রচণ্ড ভিড়ের ভেতর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা ও হয়রানির বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

এদিকে টিকিট প্রত্যাশীদের অনেকেই বুধবার মধ্য রাতে, কেউ কেউ আবার তারও আগে এসে লাইনে অবস্থান নেয়; তাদের অনেকেই টিকিট পেয়ে মহাখুশি।

সুত্রাপুরের বাদল খান জানান, মধ্যরাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলন। লাইনে দাঁড়িয়ে অনেক কষ্ট হলেও টিকিট পেয়ে এখন খুশি তিনি। পরিবার নিয়ে বাড়িতে ঈদ করবেন জানান বাদল।

কল্যাণপুরের শাহআলম রাত সাড়ে ১০টায় চট্রলা এক্সপ্রেসের টিকিটের জন্য কমলাপুর স্টেশনে এসে অবস্থান নেন। রাত ১২টার মধ্যে কাউন্টারের সামনে পেপার দিয়ে বসে পড়েন। সকাল ৮টায় ভাগনে সোহেলসহ পরিবারের ৬ সদস্যের জন্য ৬টি টিকিট নেন।

মামা শাহ আলম ও ভাগনে সোহেল ট্রেনের টিকিট পেয়ে মহা খুশি।