মেইন ম্যেনু

১/১১’র সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্ব জড়িত ছিল

ওয়ান-ইলেভেনকে ‘একটি সামরিক অভ্যুত্থান’ উল্লেখ করে এর প্রেক্ষাপট তৈরির পেছনে রাজনৈতিক নেতৃরা জড়িত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, সামরিক অভ্যুত্থান শুধু সামরিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই ঘটে না, সামরিক বাহিনীর কিছু উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মকর্তার সঙ্গে প্রচুর সংখ্যক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও থাকেন- যারা এর ক্ষেত্রটা তৈরি করে। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যতক্ষণ পযন্ত সামরিক অভ্যুত্থান তৈরিতে সহযোগিতা না করে, ততক্ষণ পযন্ত কোথাও সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে না।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুন বাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ছাত্র ফোরাম ও উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এমাজউদ্দীন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দশম কারাবরণ দিবস উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

‘ওয়ান-ইলেভেনের সরকার নীতিগতভাবে অবৈধ ছিল’ এমন দাবি করে ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘শুধু মঈন-উ আহমেদকে একা দোষ দিয়ে লাভ নেই। প্রেক্ষাপট সৃষ্টির পেছনে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও জড়িত ছিল। মঈন-উ আহমেদ তার সামনে রেখেছিলেন ফখরুদ্দিনকে। এর অর্থই হচ্ছে, প্রশাসনিক ব্যবস্থা যাতে তার পক্ষে থাকে।’

প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইঙ্গিত করে ঢাবির সাবেক এ ভিসি বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) যখন বলেন, ওয়ান-ইলেভেন তাদের সরকারের (আওয়ামী লীগ) আন্দোলনের ফসল, তখন তিনি কার বিরুদ্ধে মামলা দিবেন? শুধু ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর সম্পাদকদের দিকে চোখ গরম করলে সমস্যার সমাধান হয় না।’

সভায় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন-বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক গাজী মাযহারুল আনোয়ার, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, ছাত্রদলের সাবেক নেতা আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, আজহারুল হক মুকুল, গোলাম সরোয়ার, আব্দুল মতিন, বর্তমান সহ-সভাপতি তারেক-উজ্জামান তারেক, নাজমুল হাসান প্রমুখ।