মেইন ম্যেনু

১২ মণ পটলেও মিলছে না ১ কেজি ইলিশ

১২ মণ পটলেও মিলছে না ১ কেজি ইলিশ। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী হাটে মঙ্গলবার ১২ মণ পটল বিক্রি করেও কিনতে পারেনি এক কেজি ইলিশ।

এ মৌসুমে পটল চাষ করে বিপাকে পড়েছেন সেখানকার চাষিরা। পটলের দাম কমতে কমতে দুই টাকা কেজিতে এসে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, আড়ানী হাটে ৮০০ গ্রাম ইলিশ মাছ বিক্রি করতে দেখা গেছে এক হাজার ১০০ টাকায়। আর এক মণ পটল বিক্রি হয়েছে মাত্র ৮০ টাকায়। খাশির মাংস ৫৫০ টাকা ও গরুর মাংস ৪৫০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে।

সোনাদহ গ্রামের কয়েকজন পটলচাষি সাংবাদিকদের বলেছেন, জমি থেকে পটল তুলতে লেবার খরচ হয়েছে ৫০ টাকা। ভ্যান ভাড়া ৩০ টাকা। খাজনা খরচ ১০ টাকা।

তারা বলেন, সকালের নাস্তা খরচ ২০ টাকা। বাড়ি ফিরতে ভ্যান ভাড়া ১৫ টাকা। ইলিশ কেনা তো দূরের কথা কোনো বাজার না করেই বাড়ি ফিরছি।

দিন দিন পটলের দাম কমে যাচ্ছে। পটল বিক্রি করে মাছ-মাংস কেনার দিন শেষ।

পাইকারি ব্যবসায়ী নকিবুল হক বলেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার মহাজনরা পটল কিনতে চাচ্ছে না। এ জন্য পানির দামে বিক্রি হচ্ছে পটল।

বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা বেগম বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় নতুন পদ্ধতিতে যথেষ্ট পরিমাণে পটল উৎপাদন হচ্ছে। যে পরিমাণ পটল আবাদ হয়েছে তাতে খাওয়ার লোক নেই। তাই কৃষকরা কম দামে পটল বিক্রি করছেন।

এ উপজেলায় ৬০ হেক্টর জমিতে পটল চাষ হয়েছে বলেও জানান তিনি।