মেইন ম্যেনু

১৫৩ জন নিজের চোখ উপড়ে ফেলেছেন এই ভিডিও দেখে! ছোটদের দেখা নিষেধ…

ইউটিউব-এ ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য ভিডিও-র মধ্যে এমন কিছু ভিডিও রয়েছে, যার মাথামুন্ডু বুঝে ওঠা দুষ্কর। এর মধ্যে বিস্তর ভিডিও ‘ক্রিপি’ বা গা-শিউরে ওঠা। সেগুলির মধ্যে আবার বেশ কিছু ভিডিওকে ঘিরে জন্ম নিয়েছে সাইবার-মিথ। সত্য-মিথ্যা বিচারের আগেই এরা ভাইরাল হতে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তার পরে দাবানলের মতো পল্লবিত হয় তাদের নিয়ে অতিকথন। তেমনই এক ভিডিও-র নাম ‘মেরেয়ানা মর্ডেগার্ড গ্লেসগর্ভ্’।

‘মেরেয়ানা মর্ডেগার্ড গ্লেসগর্ভ্’ এর একটি সংক্ষিপ্ত আর একটি পূর্ণাঙ্গ ভার্সন রয়েছে। সংক্ষিপ্তটি ২০ সেকেন্ডের, বিশদটি ২ মিনিটের। সম্পূর্ণ ভিডিও-টি নিয়ে রটনা এই— ভিডিও-টিতে অনেকেই কিছু দেখতে পান না। আবার অনেক এমন কিছু দেখেন, যা তাঁদের ভয়ঙ্কর এক কাণ্ডের দিকে ঠেলে দেয়।

ইন্টারনেটে ভাসমান গুজব বলছে, এখনও পর্যন্ত ১৫৩ নামুষ এই ভিডিও-টি দেখে নিজেদের চোখ উপড়ে ফেলেন এবং সেখানেই শেষ নয়, তাঁরা নাকি সেই উপড়ানো চোখ পাঠিয়ে দেন ইউটিউব-এর সদর দফতরে। কেউ কেউ নাকি আত্মহত্যাও করেছেন বলে জানা যায়।

কেন এই অশৈল কাণ্ড, এর উত্তরে ইন্টারনেটে বিরাজমান প্যারনর্মালবিদরা বলছেন, কেউ কেউ এই গোলমেলে ভিডিও-টিতে কিছু গোপন বার্তা দেখতে পেয়েই এই কাণ্ড করেছেন। অনেকে নাকি সেই ক্রিপ্ট নিজের হাতে ছুরি দিয়ে খোদাই করে বসেন। ইউটিউব নাকি এই ভিডিও বেশ কয়েকবার ডিলিট করেছে।

অনেক সময়ে ২মিনিটের পূর্ণাঙ্গ ভার্সনটিকে ফেলে দিয়ে ২০ সেকেন্ডেরটিকে রাখা হয়েছে। কিন্তু অত্যুৎসাহীরা প্রায়শই আপলোড করে থাকেন ‘মেরেয়ানা মর্ডেগার্ড গ্লেসগর্ভ্’। গল্প আরও জানাচ্ছে, ইউটিউব-এর এক কর্মী নাকি ৪৫ সেকেন্ড এই ভিডিও-টি দেখার পরে পরিত্রাহি চিৎকার ওঠেন। কিন্তু কেন তিনি এমন করেছিলেন, তা পরে আর মনে করতে পারেননি।

কে যে এই ভিডিও প্রথম আপলোড করেছিলেন, তা আজও জানা যায়নি। আর এই ভিডিও-তে প্রদর্শিত ব্যক্তিটি যে কে, তা-ও জানা যায়নি।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুণ…