মেইন ম্যেনু

নাস্তিক্যবাদী শিক্ষানীতি ও শিক্ষা আইন বাতিলের দাবীতে

১৫ মে দেশব্যাপী জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি কর্মসূচী সফল করুন

হিন্দুত্ববাদ কায়েমের চক্রান্ত রুখে দিয়ে শিক্ষার সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসুচীর অংশ হিসেবে আগামী ১৫ মে রবিবার সারাদেশে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসুচী সফলের জন্য দেশবাসী ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বিতর্কিত এই শিক্ষানীতি এবং আমাদের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার সিলেবাস তৈরিতে বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্ব বিরোধী একটি ভয়ংকর শক্তির সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে বলে আমাদের ধারণা। কারণ, ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের “সাঁকোটা দুলছে নামক” এমন একটি কবিতা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে; যাতে ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে এবং পূণরায় বাংলাদেশ-ভারত একিভূত হওয়ার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে। যার মাধ্যমে শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আব্দুর হামিদ খান ভাসানী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান অগ্রনায়কদের ত্যাগ এবং রাজনৈতিক দর্শনকে অপমান করা হয়েছে। যারা ভারত বিভক্তির মাধ্যমে মুসলমানদের একটি আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।এভাবে মুসলিম ভাবধারার বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে পাঠ্যপুস্তকে জাতিবিধ্বংসী ও হিন্দুত্ববাদী যেসব বিষয় নতুনভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে এর পরিণতি ভাবলে আমাদের গা শিউরে ওঠে।

এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় নেতা ও ঢাকা জেলা সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ আলী মোস্তফা বলেছেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির জন্যে প্রণীত পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামি ভাবধারার মুসলিম লেখকদের প্রবন্ধ ও গল্প-কবিতা বাদ দিয়ে নাস্তিক্যবাদী ও ব্রাহ্মণ্যবাদী ভাবার্দশের রচনা, গল্প ও কবিতা’ যুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে এগুলো বাতিলের দাবি জানান। তিনি বলেণ, হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নসাধ ঈমানদার জনতা রুখে দাড়াবে।

গতকাল বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ কার্যালয়ে ১৫ মের স্মারকলিপি কর্মসুচী সফলের লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা জেলা শাখার এক জরুরী সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সেক্রেটারী আলহাজ্ব শাহাদাত হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জয়েণ্ট সেক্রেটারী অধ্যাপক ডা. কামরুজ্জামান, মুহা. হাসমত আলী, মুফতী আব্দুল করীম, আলহাজ্ব আবদুর রাজ্জাক বেপারী, মাওলানা নুর হোসাইন, আতিকুর রহমান, মুফতী ইজহারুল ইসলাম, মাওলানা কামাল উদ্দিন, আবু বকর, টি এম মাহফুজুর রহমান, আসাদুজ্জামান সোহাগ প্রমুখ।