মেইন ম্যেনু

১ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের নতুন সংসদ

যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে মিয়ানমারের বহুল প্রতিক্ষীত গণতান্ত্রিক সরকারের সংসদ। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে নতুন এই সংসদের যাত্রা। বর্তমান সংসদের বিদায়ী স্পিকার সুয়ে মান বুধবার নতুন সংসদ শুরু হওয়ার এ তারিখ ঘোষণা করেন।

দুই মাস আগে গত ৮ নভেম্বর দেশটিতে গত ২৫ বছরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম কোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচন। নির্বাচনে ৮০ শতাংশ আসনে জয় পায় অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। তবে দলটির এই বড় ধরনের বিজয়ের পরেও সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত আছে এক-চতুর্থাংশ আসন।

এদিকে নতুন সংসদ শুরু হওয়ার তারিখ ঘোষণা করা হলেও দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে কে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন- তা এখনো স্পষ্ট না। সংবিধান অনুসারে, বিদেশি সন্তান থাকার কারণে রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না সু চি।

তবে তিনি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা তাকে সব ধরনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে বিরত রাখতে পারবে না। এছাড়া সংসদে তিনি একজন সাংসদ হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন।

উল্লেখ্য, দেশটিতে ১৯৯০ সালের নির্বাচনেও এনএলডি জয়ী হয়েছিল কিন্তু সামরিক সরকার সে ফলকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে। তারপরও পর্যবেক্ষকেরা ধারণা করছেন, আবার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার মাধ্যমে সামরিক বাহিনীর তেমন কোনো লাভ হবে না।

তবে দেশটির প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র ও সীমান্ত নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়গুলো সেনাবাহিনীকে দিতে হবে। সেনাবাহিনী অর্থনীতির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া সেনাবাহিনী আইনগতভাবে সংবিধান সংশোধন করার যেকোনো উদ্যোগ বানচাল করতে পারবে। কারণ পার্লামেন্টের ২৫ শতাংশ আসন সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। সংশোধনীর জন্য প্রয়োজন ৭৫ শতাংশেরও বেশি সদস্যের সমর্থন।