মেইন ম্যেনু

২০১৫ সালের সেরা ৭ ফোন

শেষ হতে চললো ২০১৫ সাল। প্রযুক্তির বাজারে এই বছরে এসেছে হাজার হাজার ফোন। এসব ফোনের মধ্য থেকে সেরা ৭ অ্যানড্রয়েড ফোন নিয়ে শীর্ষ তালিকা তৈরি করেছে অ্যানড্রয়েড সেন্ট্রাল। এই তালিকা তৈরি ক্ষেত্রে দাম এবং গুণগত মানের পাশাপাশি উন্নত ফিচারকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। আসুন দেখে নেয়া যাক, ২০১৫ সালের সেরা অ্যানড্রয়েড ফোনগুলোর হালহকিকত।

হুয়াওয়ে নেক্সাস ৬ পি
অ্যানড্রয়েড সেন্ট্রালের সেরা ফোনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে হুয়াওয়ের নেক্সাস ৬ পি। ফোনটি সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে বাজারে আনে গুগল। নেক্সাস ৬ পি’তে আছে ৫.৭ ইঞ্চির অ্যামোলিড ডিসপ্লে। কিউএইচডি ডিসপ্লের রেজুলেশন ১৪৪০x২৫৬০ পিক্সেল। ফোনটিতে ফিংগার প্রিন্ট সেন্সর রয়েছে। ফোনটিতে আছে স্ন্যাপড্রাগন ৮১০ প্রসেসর, ৩ জিবি র‌্যাম। ৩২ জিবি, ৬৪ জিবি এবং ১২৮ জিবি মেমোরি ভার্সনে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে।

নেক্সাস ৬পি ফোনের রিয়ার ক্যামেরা ১২.৩ মেগাপিক্সেলের। রিয়ার ক্যামেরায় ফোর কে মানের ভিডিও চিত্র ধারন করা যাবে। ফ্রন্টে আছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।

ফোনটির ব্যাটারি ৩৪৫০ মিলিঅ্যাম্পায়ারের। এতে ইউএসবি সি-টাইপ পোর্ট রয়েছে।

এই ফোনে গুগলের হালনাগাদের অপারেটিং সিস্টেম ৬ থাকছে। ৪৯৯ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে নেক্সাস ৬ পি।

স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৫
হুওয়াওয়ের পর পরই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি নোট ৫ ফোনটি। এই ফোনটি বাজারে এসেছে খুব বেশি দিন হয়নি। এখনও ফোনটি তার আধিপত্য ধরে রেখেছে।

ফোনটিতে আছে ৫.৭ ইঞ্চির কোয়াড এইচডি সুপার অ্যামোলিড ডিসপ্লে। ফোনটিতে ফিফথ জেনারেশনের এস-পেন টেকনোলজি আছে।

ফোনটিতে আছে এক্সিনোস ৭৪২০ চিপসেট, কোয়াড কোর ১.৫ গিগাহার্টজের কর্টেক্স-এ৫৩ এবং কোয়াডকোর ২.১ গিগাহার্টজের কোয়াডকোর কর্টেক্স-এ৫৭ প্রসেসর, মালি টি৭৬০এমপি৮ জিপিইউ এবং ৪ জিবি র‌্যাম। ফোনটি ৩২ জিবি এবং ৬৪ জিবি বিল্টইন মেমোরি ভার্সনে পাওয়া যাচ্ছে।

নোট ৫ এর রিয়ার ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেলের। ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেলের। ফোনটি অ্যানড্রয়েড ললিপপ ৫.১.১ অপারেটিং সিস্টেম চালিত। ফোনটির ব্যাটারি ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পায়ারের।

ডিভাইসটির মুল্য ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা।

ব্ল্যাকবেরি প্রিভ
বছরের শেষের দিকে অ্যানড্রয়েড ভার্সনে ব্ল্যাকবেরি প্রিভ ফোনটি বাজারে আসে। এই ফোনটিতে ব্ল্যাকবেরির বহুস্বীকৃত সিকিউরিটি ফিচারস আছে।

ব্ল্যাকবেরির এই অ্যানড্রয়েড ফোনটিতে রয়েছে, ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির ডুয়াল কার্ভ ডিসপ্লে। এতে টাচ এবং কিবোর্ড ব্যবহারের সুবিধা আছে। স্মার্টফোনটিতে ৩৪১০ মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্যাটারি আছে। এছাড়া ডিভাইসটিতে ৩ গিগাবাইট র‌্যামের পাশাপাশি ৩২ গিগাবাইট ইনবিল্ট স্টোরেজ সুবিধা আছে। যা মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে বাড়ানো যাবে। এতে হেক্সা-কোর কোয়ালকম প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে।

ডিভাইসটিতে ১৮ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা রয়েছে। এটি থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, এএফসি ও মাইক্রো-ইউএসবি পোর্ট ২.০ সমর্থন করে।

মটো এক্স পিওর এডিশন
সেরা অ্যানড্রয়েড ফোনের তালিকায় রয়েছে মটো এক্স পিওর এডিশনের ফোনটি। ফোনটিতে রয়েছে ৫.৭ ইঞ্চির ডিসপ্লে। ডিসপ্লে অ্যামোলিড প্রযুক্তির দেয়া হয়েছে। ডিসপ্লেতে কর্নিং গরিলা গ্লাস প্রটেকশন রয়েছে।

অ্যানড্রয়েড ৫.১.১ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম চালিত এই ফোনটির প্রসেসর হিসেবে রয়েছে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৮০৮ হেক্সাকোর। প্রসেসরের ক্লকস্প্রিড ১.৮ গিগাহার্টজ। ফোনটির র‌্যাম ৩ জিবি। এটি ১৬, ৩২ এবং ৬৪ জিবি বিল্টইন মেমোরি ভার্সনে পাওয়া যাচ্ছে।

ফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ২১ মেগাপিক্সেলের। সেলফি ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেলের। ব্যাটারি ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পায়ারের।

এলজি জি ৪
এপ্রিলের শেষের দিকে বাজারে আসে এলজির জি ৪। ফোনটির কভারে চামড়া ব্যবহার করা হয়েছে। স্মার্টফোনটিতে উচ্চমানের ক্যামেরা আছে। এটির এফ পয়েন্ট এফ/১.৮। এতে আছে ইনফ্রারেড অ্যাকুরেসি সেন্সর এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের ইমেজ স্টাবিলাইজেশন। ডিএসএলআর ক্যামেরার মতো ফোনটির ক্যামেরায় ফুল ম্যানুয়াল মোড রয়েছে।

এলজির এই স্মার্টফোনটিতে ৫.৫ ইঞ্চির কোয়াড এইচডি স্ক্রিন রয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ফোনটি ব্যবহার করার জন্য ৩০০০ মিলি অ্যাম্পায়ারের ব্যাটারি আছে। আছে মাইক্রো এসডি স্লট। ফোনটি অ্যানড্রয়েড ৫.১ ললিপপ চালিত।

এতে আছে স্ন্যাপড্রাগন ৮০৮ হেক্সা কোর, ১.৮ গিগাহার্টজ প্রসেসর, ৩ জিবি র‌্যাম, ৬৪ জিবি পর্যন্ত মেমেরি স্পেস এবং ২০ মেগাপিক্সেলের রেয়ার ও ৭ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। ফোনটির মূল্য ঠিক করা হয়েছে ৬০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় এলজি জি৪ এর দাম পড়বে ৪৬ হাজার ৭৩১ টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৬
ফোনটিতে আছে ৫.১ ইঞ্চির ডিসপ্লে। ডিসপ্লের রেজুলেশন ২৫৬০x ১৪৪০ পিক্সেল। ডিসপ্লেতে গরিলা গ্লাস ৪ প্রটেকশন রয়েছে।
৪ জিবি র‌্যামের এই ফোনটির প্রসেসর এক্সিনোস ৭৪২০।

৩২, ৬৪ এবং ১২৮ জিবি মেমোরি ভার্সনে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে।

এইচটিসি এ ওয়ান
অ্যানড্রয়েড সেন্ট্রালের তালিকায় সব শেষে রয়েছে এইচটিসি এ ওয়ান মডেলের ফোন। এই ফোনটিতে রয়েছে ৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে। ডিসপ্লের রেজুলেশন ১৯২০x১০৮০ পিক্সেল।

ফোনটিতে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন অক্টাকোর প্রসেসর রয়েছে। ২ ও ৩ জিবি র‌্যাম ভার্সনের ফোনটির বিল্টইন মেমোরি ১৬ এবং ৩২ জিবি।

এটির রিয়ার ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেলের। সেলফি ক্যামেরা ৪ মেগাপিক্সেলের।



« (পূর্বের সংবাদ)