মেইন ম্যেনু

২০১৯-এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াত নির্মূল : নাসিম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে কোনো আপস হবে না। ক্ষমা নয়, ২০১৯ এর মধ্যে তাদের নির্মূল করা হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত আলোচনা সভায় নাসিম এ মন্তব্য করেন। ২০০৫ সঙ্গে একই সঙ্গে সারা দেশের ৬৩টি জেলায় বোমা হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে।

বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘বলতে চাই, ২০১৯ সাল পর্যন্ত, আগামী কয়েক বছর ইনশাল্লাহ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কঠোরভাবে দেশ পরিচালনা করা হবে, কঠোরভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে ইনশাল্লাহ। কোনো ক্ষমা নাই, কোনো ক্ষমা হতে পারে না। ওদের সঙ্গে কোনো আপস হতে পারে না। যেভাবে দেশ চালাতে হয়, সেভাবে চালাব। আমাদের কথা স্পষ্ট; আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ভাইদের বলতে চাই, আওয়ামী লীগকর্মীদের বলতে চাই, কঠোর থাকবেন। শেখ হাসিনা যদি নির্দেশ দেন সে নির্দেশ পালন করতে হবে আমাদের। ইনশাল্লাহ ২০১৯ সালের মধ্যে ওদেরকে রাজনীতির পাট থেকে নির্মূল করে দেব ইনশাল্লাহ, উচ্ছেদ করে দেব, পরাস্ত করে দেব।’

১৪ দলের মুখপাত্র নাসিম বলেন, বিএনপি-জামায়াত আইনের শাসনের কথা বলে। অথচ জঙ্গি উত্থান এবং হামলার শুরুটা হয়েছিল তাদের শাসনামলেই। এ সময় তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হবে না। পররর্তী নির্বাচন হবে ২০১৯ সালে।

এদিকে, সুশীল সমাজকে উদ্দেশ্য করে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছন, বিএনপি-জামাতের সঙ্গে কোনো ঐক্য হতে পারে না।

২০০৫-এর সিরিজ বোমা হামলা আর গুলশান এবং শোলাকিয়া হামলার ঘটনাকে অভিন্ন শক্তির অপচেষ্টা বলে মন্তব্য করেন হানিফ। এ সব জঙ্গবাদী হামলার ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করেন তিনি। তাঁর মতে, একাত্তর আর পঁচাত্তরের ঘাতকদের হয়ে কথা বলছে সুশীল সমাজের একটি অংশ।

অশুভ তৎপরতা এবং ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করতে দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ নেতারা।

এদিকে, ১৭ আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) বোমা হামলায় জড়িত সবার বিচার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। রাজধানির কারওয়ানবাজারের ওয়াসা ভবনের সামনে আজ সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

আর দিনটি উপলক্ষে দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মধুর ক্যান্টিন থেকে কালো পতাকা মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীদরের অংশগ্রহণে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মিছিল শেষ হয়।