মেইন ম্যেনু

২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০ কোটি ২২ লাখ

২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা তিন কোটি ৯০ লাখ বেড়ে ২০ কোটি ২২ লাখে দাঁড়াবে। এর তিন বছরের মাথায় অর্থাৎ ২০৫৩ সালে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ১ হাজার কোটিতে গিয়ে পৌঁছবে।

২০১৬ সালের বৈশ্বিক জনসংখ্যা বিষয়ক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি সপ্তাহে বৈশ্বিক জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পপুলেশন রেফারেন্স ব্যুরো (পিআরবি) এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

পিআরবির প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৩০ লাখ। প্রতি এক হাজারে এখানে ২০টি শিশুর জন্ম হয়। আর মারা যায় পাঁচটি নবজাতক। এছাড়া এখানে প্রতি এক হাজারে এক বছরের নিচে ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়। এই হিসেবে ২০৩০ সাল নাগাদ এ দেশের জনসংখ্যা ১৮ কোটি ৬৫ লাখে পৌঁছবে। ২০৫০ সালে এ সংখ্যা হবে ২০ কোটি ২২ লাখ। এ দেশে বর্তমানে নির্ভরশীল জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ বছরের কম বয়সীদের হার ৩৩ শতাংশ এবং ৬৫ বছর ও তার বেশি বয়সী জনসংখ্যার হার ৬ শতাংশ। এখানে বিবাহিত নারীদের ৬২ শতাংশ গর্ভনিরোধক ব্যবহার করেন। এদের মধ্যে আবার ৫৪ শতাংশ আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেন। বর্তমানে বাংলাদেশে নারীদের সন্তান প্রজননের সক্ষমতার হার ২ দশমিক ৩ শতাংশ।

বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ৭৪০ কোটি। বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৩৩ শতাংশ। এভাবে বাড়তে থাকলে ২০৫০ সালে এ সংখ্যা ৯৯০ কোটিতে গিয়ে পৌঁছবে। আর ২০৫৩ সালে এটি হাজার কোটিতে গিয়ে পৌঁছবে। ১৩৭ কোটি ৮০ লাখ লোক নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের জনবহুল দেশের তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে চীন। আর ১৩২ কোটি ৯০ লাখ লোক নিয়ে এর পরের অবস্থানেই আছে ভারত। তবে ২০৫০ সালে এ চিত্র পুরোটাই উল্টে যাবে। অর্থাৎ তখন প্রথম অবস্থানে চলে যাবে আর দ্বিতীয়তে নেমে আসবে চীন। ওই সময় ভারতের মোট জনসংখ্যা হবে ১৭০ কোটি ৮০ লাখ। আর চীনের জনসংখ্যা উল্টো কমে হবে ১৩৪ কোটি ৪০ লাখ।

সন্তান প্রজননে সক্ষমতার হারের দিকে এগিয়ে আছে আফ্রিকার দেশ নাইজার। এখানে প্রজননের হার ৭ দশমিক ৬ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম দক্ষিণ কোরিয়ায়।