মেইন ম্যেনু

২০ বছর পর পাকিস্তানের লর্ডস জয়

টেস্টের জৌলুশ যে হারিয়ে যায়নি সেটিরই এক ঝলক দেখলো ক্রিকেটের মক্কা খ্যাত লর্ডস। একদিন আগেই স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ৭৫ রানের ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যাবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। ২০ বছর পর লর্ডসে আবারো পাকিস্তানের জয়। ম্যাচ জিতে উল্লাশটাও ছিল চোখের পড়ার মত।

টেস্টের প্রথম ইনিংসে মিসবাহর সেঞ্চুরিতে ৩৩৯ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। ইয়াসির শাহর ঘূর্ণি বোলিংয়ে মাত্র ২৭২ রানেই শেষ হয় ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস। ইয়াসির শাহর ৬ উইকেটের বদৌলতে লিড পায় পাকিস্তান। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তেমন সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান।

ক্রিস ওকসের বোলিং তোপে মাত্র ২১৫ রানেই গুটিয়ে যায় মিসবাহর দল। জবাবে টেস্টের চতুর্থ দিন ইংল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮৩ রানের। লর্ডসে এর আগে এতো রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই ইংল্যান্ডের। অসম্ভব এই লক্ষ্য জয়ের বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ান পাকিস্তানের বোলাররা। মাত্র ২০৭ রানেই গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। ফলে এক দিন হাতে রেখেই টেস্ট জিতে নেয় পাকিস্তান।

পাকিস্তানের এ জয়ে সবথেকে বড় অবদান রেখেছেন লেগ স্পিনার ইয়াসির শাহ। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসেও নেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় লেগ স্পিনার হিসেবে লর্ডসের মাটিতে ম্যাচে ১০ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব গড়েন এই লেগি। তাছাড়া ১৩ টেস্টে ৮৬ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ডের পথেও ভালোভাবে এগুচ্ছেন ইয়াসির। টেস্টে দ্রুততম ১০০ উইকেট নেওয়ার হাতছানি তার সামনে। ম্যাচ সেরার পুরষ্কারটাও জুটেছে তার কপালে।

ইয়াসির শাহর পাকিস্তানের অন্যান্য পেসাররাও ছিলেন উজ্জ্বল। দ্যুতি ছড়াতে না পারলেও পাকিস্তানের রাহাত আলীই মূলত দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার ভেঙ্গে দেন। কুক, জেলস এবং জো রুটকে নিজের শিকারে পরিণত করেন আলী। নতুন রূপে লর্ডসে ফেরা আমির নেন দুই উইকেট। ৭৫.৫ ওভারে জেক বলের শেষ উইকেটটি তুলে নিয়ে পাকিস্তানে জয়োল্লাসে মাতান এই বাঁহাতি পেসার।