মেইন ম্যেনু

২৫ কোটি টাকা খরচায় মাত্র চার স্বর্ণ!

আজ পর্দা নামছে ১২তম দক্ষিণ এশিয় গেমস বা এসএ গেমসের। ৮ জাতির এই গেমসে যথারীতি শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখলো এই অঞ্চলের প্রভাবশালী দেশ ভারত। ১৮৩টি স্বর্ণসহ ৩০১টি পদক পেয়েছে তার। ৫২০ জনের বিশাল বহর নিয়ে ভারতে গেলেও স্বর্ণ প্রাপ্তিতে ঠনঠনা বাংলাদেশ। সাকুল্যে চার স্বর্ণ জুটেছে এবার। যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানও বাংলাদেশের উপরে।প্রশিক্ষণ এবং খাওয়া ,যাওয়া আসা বাবদ বাংলাদেশের খরচ প্রায় ২৫ কোটি টাকা। ২৫ কোটি টাকার বিনিময়ে চার স্বর্ণ প্রাপ্তিকে অনেকেই ‘অত্যন্ত ব্যয়বহুল’ বলছেন।

কিন্তু কেন এই ফল? সংশ্লিষ্ট কর্মকরা এ জন্য দায়ী করছেন অপর্যাপ্ত অনুশীলনকে। তবে তাদের এমন দাবি পুরোপুরি মেনে নেওয়ার মতো নয়। কারণ গত বছরের আগস্ট থেকেই এসএ গেমসের প্রস্তুতি শুরু দেয় বাংলাদেশ। সময়টা পর্যাপ্ত না হলেও একেবারে কমও নয়। ২০১০ সালে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত গেমসে ১৮টি স্বর্ণ জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার অন্তত গোটা দশেক স্বর্ণ পাওয়া উচিৎ ছিল বলে মনে করছেন সমালোচকরা।

বাংলাদেশ এবার অংশ নেয় ২২টি ইভেন্টে। মোট অ্যাথলেট সংখ্যা ৪০৯ জন। চার স্বর্ণ, ১৫ রৌপ্যসহ বাংলাদেশ পদক জিতেছে মোট ৭৩টি। মানে প্রতি ৫ জনের মধ্যে পদক জিতেছেন মাত্র একজন। বাকি চারজনই পদকহীন। যাদের বেশিরভাগকেই অযথা গেমসে পাঠিয়ে বিপুল অর্থ খরচ করা হয়েছে। উপযুক্ত প্রস্তুতি না নিয়ে গেমসে অংশ নেওয়াকে অর্থের অপচয় ছাড়া অন্য কিছু মনে করছেন না সংশ্লিষ্টদের অনেকেই।

বাংলাদেশকে চরম লজ্জা থেকে বাঁচিয়েছেন তিন অ্যাথলেট। চারটি সোনাই জিতেছেন তারা। দুই স্বর্ণ কন্যা মাবিয়া আক্তার (সীমান্ত) ও মাহফুজা খাতুন (শিলা) এবং শুটার শাকিল আহমেদ। ভারোত্তোলন থেকে প্রথম স্বর্ণ জিতেন মাবিয়া, সাঁতার থেকে বাকি দুটি স্বর্ণ জিতেন মাহফুজা। শুটার শাকিলের হাত ধরে আসে চতুর্থ স্বর্ণ ।