মেইন ম্যেনু

২৫ প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, ৮৪৮টিতে শতভাগ পাস

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৮৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে। অন্যদিকে ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি। গত বছরের তুলনায় শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৮৫টি কমেছে। শূন্য পাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ১০টি।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ করেন। ১০ বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানেও রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে ৪৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ১৮, কুমিল্লা বোর্ডে ৮, যশোর বোর্ডে ১৩, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫, বরিশাল বোর্ডে ২, সিলেট বোর্ডে ৫ ও দিনাজপুর বোর্ডে ১১টি শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

মাদ্রাসা বোর্ডের ৫০৫ ও কারিগরি বোর্ডের ১৫৮টি প্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার আমরা শূন্য পাস করা স্কুলের সংখ্য ১০টি কমিয়ে আনতে পেরেছি। মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮ হাজার ৩৪৫টি। গত বছর ছিল ৮ হাজার ২৯৪টি। এবছর ৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬২১ টি। গত বছর ছিল ২ হাজার ৪২০টি। বৃদ্ধি পেয়েছে ২০১টি কেন্দ্র।

এ বছর ১০টি বোর্ডে মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ৩ হাজার ৬৪০জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৮৯ হাজার ১৫০ জন। পাসের শতকরা হার ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৮ হাজার ২৭৬ জন।

এ বছর কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৬৪.৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,৯১২ জন; সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৬৮.৫৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,৩৩০ জন; চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৬৪.৬০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২,২৫৩ জন; দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৭০.৬৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩,৮৯৯ জন; রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৭৫.৪০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬,০৭৩ জন; বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭০.১৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৮৭ জন; যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৩.৪২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫৮৬ জন; ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ হাজার ১১০ জন এবং ঢাকা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিস (ডিআইবিএস)-এ পাসের হার ৮১ দশমিক ৪৬ শতাংশ, জিএসপি-৫ পেয়েছে ৩২৫ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.১৯ শতাংশ। মোট পাস ৮০ হাজার ৬০৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২,৪১৪ জন।

কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮৪.৫৭ শতাংশ। মোট পাস ৮৬ হাজার ৪৬৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬,৫৮৭ জন।