মেইন ম্যেনু

৩২ বছর আগের হারানো মায়ের প্রেমিককে খুঁজে দিল মেয়ে

প্রেম কখনো হারিয়ে যায় না। প্রেমিক কিংবা প্রেমিকা দূরে সরে গেলেও মনের মধ্যে তা নিভু নিভু করে জ্বলতে থাকে।

তবে সেই প্রেম যদি পূর্ণতা পায় তাহলে তো আর কথাই নেই। কেরালা নিবাসী এ মহিলার ভালোবাসার পূর্ণতা পায়নি। মায়ের ভালোবাসাকে মিলিয়ে দিল দুই মেয়ে। ৩২ বছর পর হারানো প্রেমকে ফিরে পেলেন তিনি।

পঞ্চাশোর্ধ অনিথা চেম্বুভিলাইল তখন কোল্লামের এক স্কুলের ক্লাস টেনের ছাত্রী। যুবক বিক্রমন পড়ান একটি কোচিং সেন্টারে। পাশাপাশি রাজনৈতিক ঝাণ্ডা নিয়েও ঘোরাফেরাও করেন।

১৯৮৪ সালের সেই প্রেম পূর্ণতা পায়নি, অনিথার বাড়ি থেকে মেনে নেয়নি বিক্রমনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক। কিছুদিনের মধ্যেই বয়সে অনেক বড় এক ব্যক্তির সঙ্গে অনিথার বিয়ে দিয়ে তার পরিবার।

এরপর অনিথার সঙ্গে আর দেখা হয়নি বিক্রমনের। দুর্ভাগ্যবশত হঠাৎই অনিথার স্বামী অজ্ঞাত কারণে আত্মহত্যা করেন।

অনিথা এরই মধ্যে তখন দুই কন্যার জন্মদাত্রী। ঝড়ের মাঝে সংসারের লড়াই চালিয়ে যান তিনি। সন্তানদের বড় করে তোলেন শিক্ষার আলোয়।

এ সময়েই একদিন মায়ের পুরনো প্রেমিকের কথা মায়ের থেকেই জানতে পারে দুই মেয়ে। মায়ের প্রেম কাহিনী শুনে উঠেপড়ে লাগে তারা।

তিন দশক আগে হারিয়ে যাওয়া প্রমিক বিক্রমনকে খুঁজেও বের করে ফেলে তারা। তবে মেয়েদের ভবিষ্যৎ ঠিক না করে স্বার্থপর হতে চায়নি অনিথা।

তাদের বিয়ে হয়ে যাবার পরই দুই মেয়ে দাঁড়িয়ে থেকে মায়ের প্রেম কাহিনীতে ‌‘হ্যাপি এন্ডিং’ লিখে দেয়।