মেইন ম্যেনু

৩৩.৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশের

চলতি অর্থবছরে রপ্তানি থেকে ৩ হাজার ৩৫০ কোটি (৩৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন) ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার; গত অর্থবছরের চেয়ে যা ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি। আগের বছর এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সম্মেলন কক্ষে রোববার অনুষ্ঠিত এক সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান। এ সভায় মন্ত্রী নিজেই সভাপতিত্ব করেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘গত অর্থবছরে ৩৩ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক প্রতিকূলতার পরও প্রায় ৩১ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি করা সম্ভব হয়েছে। আর্থিক মূল্যে আমাদের রপ্তানির পরিমাণ কম মনে হলেও পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। আন্তর্জাতির মুদ্রার মূল্য বিশ ভাগ কমে যাওয়ার কারণে আমাদের আয় কিছু কম হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের চাহিদা বেড়েই চলছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রার মান বাড়লে এ বছর আমাদের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।’

উল্লেখ্য, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৩ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৩১ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ শতাংশ কম আয় হয়েছিল।

চলতি অর্থবছরে নিট পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ, উভেন রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৮ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে উভেন পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ ১৩ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে আর নিট পোশাক থেকে এসেছে ১২ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার।

অনুষ্ঠানে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু, রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এর প্রতিনিধিরা, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত সচিব এটিএম মুর্তজা রেজা চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব(রপ্তানি) মো. শওকত আলী ওয়ারেছি, ডব্লিউটিও-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) অমিতাভ চক্রবর্তী, বাংলাদেশ ব্যাংক, কৃষি মন্ত্রণালয়, এনবিআর, অর্থ মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এফবিসিসিআই, ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।