মেইন ম্যেনু

৩৫১৯টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে

জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি অর্থ বছরে রাষ্ট্রের ৩৫১৯টি নন-ক্যাডার পদে জনবল নিয়োগ করা হবে।

দশম সংসদের অষ্টম অধিবেশনে মঙ্গলবার পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, সরকারি দফতরসমূহে শূন্য পদে জনবল নিয়োগ একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগ এবং এর নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন দফতর-সংস্থাসমূহের চাহিদার পরিপেক্ষিতে সরকারি কর্ম-কমিশনের মাধ্যমে ১ম ও ২য় শ্রেণির শূন্য পদে জনবল নিয়োগ করা হয়ে থাকে। ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির শূন্য পদে সংশ্লিষ্ট দফতর-সংস্থার নিয়োগবিধি অনুযায়ী জনবল নিয়োগ করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২১৫৮টি পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রেরণ করেছে। প্রাক-চরিত্র যাচাই, স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাওয়ার পর উপযুক্ত বিবেচিত প্রার্থীকে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

তাছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ থেকে প্রাপ্ত রিকুইজিশনের প্রেক্ষিতে পিএসসি ১ম ও ২য় শ্রেণির গেজেটেড পদে নিয়োগের সুপারিশ করে থাকে। সে মোতাবেক চলতি অর্থ বছরে সরকারি নন-ক্যাডার পদে মোট ৩৫১৯ জন লোক নিয়োগ করা হবে।

পটুয়াখালী-৩ আসনের আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রী বলেন, বিগত পাঁচ বছরে জনপ্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত কর্মকর্তার সংখ্যা ৬৫৪ জন। এরমধ্যে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ৫৫১ জন এবং জনসাধারণের মধ্য থেকে বিশেষ যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ১০৩ জন।

ঢাকা-৭ আসনের হাজী মো. সেলিমের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকারি চাকরিতে সাধারণ কোটা বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের আপাতত পরিকল্পনা নেই।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৭ মার্চ ১৯৯৭ তারিখের স্মারকে জারিকৃত সার্কুলার অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে ১ ও ২য় শ্রেণির পদসমূহের বিদ্যামান কোটা বহাল আছে বলে জানান তিনি।