মেইন ম্যেনু

৩ সন্তানের জন্ম দিয়ে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মা স্টেসি হেরাল্ড

নিজের সন্তানের মুখ দেখার মধ্যে যে কি আনন্দ রয়েছে তা একমাত্র বাবা মা বোঝেন। জীবনের অন্যতম সেরা উপহারকে পেতে জীবনের ঝুঁকি নিতেও রাজি ছিলেন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম এই মা। কোন কিছুকেই পরোয়া না করে মাতৃত্ব লাভের দিকে এগিয়ে গিয়েছেন স্টেসি হেরাল্ড। সন্তানের জন্ম দিয়ে এখন তিনি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মা হওয়ার খেতাব পেয়েছেন।

অস্টিওজেনেসিস ইমপারফেকটা নামে এক বিরল জিনঘটিত অসুখে আক্রান্ত ছিলেন স্টেসি। রোগের জন্য তার উচ্চতা ছিল মাত্র ২ ফুট চার ইঞ্চি অর্থাৎ আড়াই ফুটের চেয়েও কম। এমন উচ্চতায় মা হওয়া সত্যিই কঠিন বিষয়। নিজের সমস্যার পাশাপাশি হতে পারে সন্তানের শারীরিক সমস্যাও। তবে এসব কিছুকেই পাত্তা দেননি স্টেসি।

স্টেসি এখন তিন সন্তানের মা। তাঁর দুই মেয়ে ও এক ছেলে। প্রতিবারই গর্ভাবস্থার শুরুতে তাকে সাবধান করেছেন ডাক্তাররা। সন্তানের জন্ম দেওয়ার ধকল স্টেসির ছোট্ট শরীর নাও নিতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া স্টেসি অসুখ তার গর্ভস্থ শিশুর শরীরেও বাসা বাঁধতে পারে, এ কথাও জানান ডাক্তাররা।

কিন্তু কোন কিছুই তাকে আটকাতে পারেনি। তিন সন্তানের জন্ম দিয়ে স্টেসিই বর্তমানে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মা। তার বড় মেয়ে কাটেরি মাত্র ২৮ সপ্তাহে জন্ম নেয়। মেজো মেয়ে মায়াকার জন্ম দেওয়ার সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন স্টেসি। আর ছোট ছেলে মালাচির বাঁচার কোন সম্ভাবানই চিল না। ডাক্তারদের অশেষ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত প্রাণ রক্ষা হলেও স্টেসির শরীরের বিরল অসুখ ছড়িয়ে পড়েছে তার সন্তানের মধ্যেই। তবুও নিজের সন্তানদের নিয়ে বেজায় খুশি স্টেসি।