মেইন ম্যেনু

বরিশালে এক পোশাকে দ্বিগুণ লাভ ॥ অভিযানে সর্তকতা

৩ হাজার টাকার পোশাকে ১০ হাজারের স্টিকার

বরিশাল প্রতিনিধি : ব্যবসায়ীদের পাইকারী ক্রয় করা ২ হাজার ৯৮৫ টাকার পোশাকের গায়ে একদামে বিক্রির দোকানে স্টিকার লাগানো রয়েছে ১০ হাজার টাকার। ঈদ উৎসবে নতুন পোষাক বিক্রিতে এভাবেই দ্বিগুন থেকে তিনগুন লাভ করছেন নগরীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার পোষাক বিক্রেতারা। পাইকারী বাজার থেকে যে দামে পোশাক বিক্রেতারা ক্রয় করেছেন, পোশাকের গায়ে তার চেয়ে অধিক দামের স্টিকার লাগানো হয়েছে। একদামে বিক্রির নামে গায়ে লেখা দামেই পোশাক বিক্রি করছেন অধিকাংশ ব্যবসায়ী।

বরিশাল সমস্যা ও সম্ভাবনা নামের ফেসবুক পেইজে বিভিন্ন ক্রেতাদের এ অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সুখময় সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত নগরীর কয়েকটি প্রসিদ্ধ পোশাক বিপনীন বিতানে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান। এ অভিযোগ প্রথমবারের মতো হওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট সুখময় সরকার প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে ২৪ ঘন্টা সময় দিয়ে হুশিয়ারী করে দেন। কোন পোশাকে ক্রয়ের চেয়ে ৩০ ভাগের বেশি লাভ করা যাবেনা বলেও ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যবসায়ীদের হুশিয়ারী করেছেন। এ নিয়ম কার্যকর হয়েছে কি-না তা পর্যবেক্ষন করতে মঙ্গলবার থেকে জেলা প্রশাসন অভিযান চালাচ্ছেন বলেও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট উল্লেখ করেন।

সূত্রমতে, ভ্রাম্যমান আদালত নগরীর হেমায়েতউদ্দিন সড়কের অভিজাত পোশাক বিপনী প্রতিষ্ঠান ‘দোয়েল’ ‘চন্দ্রমুখ’ ‘নেক্সস্টপ্লাস’ এবং ‘স্পার্ক’ সহ বেশ কয়েকটি পোশাক বিক্রির বিপনীতে অভিযান পরিচালনা করেন। নেক্সটপ্লাসে গিয়ে দেখা গেছে, ভারতীয় বাজার থেকে তরুনীদের একটি পোশাক ক্রয় করা হয়েছে ২ হাজার ৯৮৫ টাকায়। ওই পোশাকের গায়ে ১০ হাজার টাকা বিক্রি মূল্যের স্টিকার লাগানো হয়েছে। পোশাক বিপনী প্রতিষ্ঠান ‘দোয়েল’ এ ক্রয়কৃত ৭’শ টাকার গেঞ্জির মূল্যে বিক্রয়মূল্যের স্টিকার লাগানো হয়েছে ১৫’শ টাকা। অভিযান চালানো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও দেখা গেছে একই চিত্র। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সুখময় সরকার জানান, প্রথমদিন অভিযান চালানোর ফলে কাউকে জরিমানা করা হয়নি। ৩০ ভাগ মুনাফার নিয়ম ২৪ ঘন্টার মধ্যে কার্যকর করা না হলে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে জেল ও জরিমানা প্রদান করা করা হবে।