মেইন ম্যেনু

৪৪ বছর পর ৪১ বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি

৪১ বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে তারা মুক্তিযোদ্ধার সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর এই ৪১ বীরাঙ্গনাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের অপরিসীম ত্যাগের স্বীকৃতি দেওয়া হলো।

৪১ জনের নামসহ নতুন এই মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া রয়েছে।

বীরাঙ্গনা এসব মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সিরাজগঞ্জের ১৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১১ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ছয়জন, ময়মনসিংহ ও কুষ্টিয়া জেলায় চারজন করে রয়েছেন। এছাড়া হবিগঞ্জ, রংপুর ও সিলেট জেলায় একজন করে রয়েছেন।

এরা হলেন- সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার আয়মনা, কাজীপাড়ার আছিয়া বেগম, সদরের মোছা. সূর্য বেগম, মোছা. কমলা বেওয়া, মোছা. জয়গান, মোছা. ছুরাইয়া খাতুন, মোছা. মাহেলা বেগম, মোছা. হামিদা বেওয়া, মোছা. হাসনা বেগম, কামারখন্দের শ্রীমতি রাজুবালা দে, সদরের মোছা রহিমা বেওয়া, মোছা. ছামেনা খাতুন ও মোছা. শামসুন্নাহার বেওয়া।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরের রাবিয়া বেগম, শিবগঞ্জের মালেকা বেগম, গোমস্তাপুরের হাছিনা বেগম, জলো বেগম, ছফেদা বেগম, আয়েশা বেগম, রেনু বেগম, হাজেরা বেগম, আরবী বেগম, রাহেলা বেগম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের লিলি বেগম।

ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈলের সুমি বাসুগী, মালেকা, মনি কিসকু, নিহারানী দাস, নূরহাজান বেগম, হাফেজা বেগম।

ময়মনসিংহের ফুলপুরের ময়মনা খাতুন, হালিমা খাতুন। হালুয়াঘাটের জাহেরা খাতুন ও ফাতেমা খাতুন।

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের মাজেদা বেগম ওরফে মাজেদা খাতুন। সিলেট জেলার জকিগঞ্জের এশনু বেগম।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মোছা. এলেজান নেছা, মোছা. মোমেনা খাতুন, মোছা. গোলজান নেসা, মজিরন নেছা। রংপুর সদরের মনছুরা বেগম।

নিচে নারী মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা) শিরোনামে ক্লিক করলেই পাওয়া যাবে ৪১ জনের নামের তালিকা-

নারী মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা)