মেইন ম্যেনু

৫টি অল্প কথার ভয়ের গল্প! মন শক্ত করে পড়ুন…

ভয়ের সাইটগুলোতে আঙুল বোলাতে বোলাতে উঠে এল এমন কিছু ‘গল্প’, যা পড়ে ফাঁকা বাড়িতে আপনি অনুভব করলেন কারোর অস্বস্তিকর উপস্থিতি। অথবা ট্যাক্সির ভিতরেই মনে হল পাশের ব্যক্তিটি কেমন স্বাভাবিক নয়।

ঝিপঝিপে বৃষ্টি। কখনও বাড়ছে, কখনও কমছে। বড়িতে একা আপনি। অথবা নেহাতই আধভেজা হয়ে উঠে পড়েছেন কোনও শেয়ার ট্যাক্সিতে। বাইরে হঠাতই ঝম ঝম। রাস্তা দেখা যাচ্ছে না। আপনি খুলে বসেছেন আপনার মোবাইলে ইন্টারনেটের দুনিয়া। সেখানে ছড়িয়ে থাকা ভয়ের সাইটগুলোতে আঙুল বোলাতে বোলাতে উঠে এল এমন কিছু ‘গল্প’, যা পড়ে ফাঁকা বাড়িতে আপনি অনুভব করলেন কারোর অস্বস্তিকর উপস্থিতি। অথবা ট্যাক্সির ভিতরেই মনে হল পাশের ব্যক্তিটি কেমন স্বাভাবিক নয়। শুরু হয়ে গল আতঙ্ক…

তেমনই শিরদাঁড়া শীতল করা ৫টি অণুকাহিনি রইল আপনার জন্য। বলাই বাহুল্য, এই কাহিনিগুলি অশরীরী আত্মার মতোই সাইট থেকে সাইটে চলাচল করে।

প্রথম কাহিনি
অঙ্গ দান করা আমার হবি। প্রাতি মাসেই আমি কোনও না কোনও অঙ্গ দান করি। মজার ব্যাপার হল এই— অঙ্গগুলো কিন্তু আমার নয়।

দ্বিতীয় কাহিনি
আত্মহত্যা করার আগে আমার রুমমেট কি আলমারিটার দরজা খুলে রেখেছিল? খালি এই কথাটাই ঘুরে ফিরে মনে আসে। কারণ, ও এখনও আলমারিটার দরজা মাঝে মাঝে খুলেই রাখে।

তৃতীয় কাহিনি
ভাই নাকি আর ফিরবে না! ওরা বলে, ও এমন জায়গায় চলে গিয়েছে, যেখান থেকে কেউ ফিরে আসে না। হায়! ওদের কথা যদি সত্যি হত!

চতুর্থ কাহিনি
আবার স্বপ্ন দেখলাম, বাবা আর মা-কে কারা যেন খুন করে রেখে গিয়েছে। বাজে স্বপ্ন। ওইতো বাবা আর মা, সিলিং থেকে দড়ি টাঙিয়ে গলায় দিয়ে ঝুলতে ঝুলতে দিব্যি ঘুমোচ্ছে।

পঞ্চম কাহিনি
মাঝে মাঝেই ঘুম ভেঙে যায়। বোন কখন পাশে শুয়ে খুনসুটি করতে শুরু করে দিয়েছে। আমি রেগে যাই। ওকে বলি— ওই রকম করবি তো তোকে আবার মর্গে রেখে আসবো।