মেইন ম্যেনু

৫ আগষ্টের মধ্যে জাফরুল্লাহকে ব্যাখা দিতে হবে

ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিদের বিষয়ে কটূক্তি করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে ব্যাখা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বুধবার এ আদেশ দেন।

এর আগে ট্রাইব্যুনালে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য ২ সপ্তাহের সময় আবেদন করেন তার আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার। পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদনটি মঞ্জুর করে জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত দিন নির্ধারণ করেন।

এসময় বাদী পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামিম আজিজ ও আবেদনকারী মনোরঞ্জন ঘোষাল।

এর আগে গত ৬ জুলাই ডা. জাফরুল্লার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে আবেদনটি জানান স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের শিল্পী মুক্তিযোদ্ধা মনোরঞ্জন ঘোষাল, মুক্তিযোদ্ধা আলী আসগর, মুক্তিযোদ্ধা শেখ নজরুল ইসলাম এবং গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের আহবায়ক কামাল পাশা চৌধুরী ও কর্মী এফ এম শাহীন।

এরপর গত ৭ জুলাই এ আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামিম আজিজ ও আবেদনকারী মনোরঞ্জন ঘোষাল।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আজ বুধবার জাফরুল্লাহাকে ব্যাখ্যা প্রদানের দিন নির্ধারণ করেছিলেন। কিন্তু আবেদনের প্রেক্ষিতে সে সময় আরো বৃদ্ধি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ জুন জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে সাজা দেয় আদালত। শাস্তি হিসাবে তাকে এক ঘণ্টা আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। সেইসঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে একমাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরে জাফরুল্লাহর এক আবেদনে সুপ্রিমকোর্টের চেম্বার আদালত ওই জরিমানার আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল সাজা ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, আজকের আদালত অবমাননার রায়টা তিনজন বিচারকের মানসিক অসুস্থতার প্রমাণ। তিনি বলেছিলেন, যেখানে বিচারপতিরা সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না, সেখানে ন্যায়বিচার হয় না।

এ বক্তব্য প্রদানের পর ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে আবেদন করা হলে শুনানী শেষে আজ আদালত এ আদেশ দেন।