মেইন ম্যেনু

৫ বছর বয়সে ব্যবসা শুরুর পর ১০ বছরের বালক কোটিপতি

সবাই স্বপ্ন দেখে। কেউ স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে পারে অনায়াসেই। তবে স্বপ্নবাজদের জন্য একটি রাস্তা এঁকে দিলেন ১০ বছরের এক বালক।

বাবা মা তাকে স্কুলে পাঠায়। শুরুতে স্কুলে যেতে আপত্ত্বি ছিল তার। স্কুলে যাওয়া মানে অযথা সময় নষ্ট বলে ধারনা ছিল বালকটির। সিদ্ধান্ত নিলেন টাকা উপার্জন করার। বাবা-মার কথাকে উপেক্ষা করেই যাত্রা শুরু তার।

নিউ ইয়র্কের বালক করি নিয়েভস বাড়ির বাইরে গরম কোকো বিক্রির ছোট্ট স্টল খোলে। ধীরে ধীরে সেখানে মায়ের তৈরি কিছু বেক করা খাবার যোগ করে। আর এভাবেই পথচলা শুরু করে ‘মিস্টার করি’স কুকিজ’।

১০ বছর বয়সেই কোটিপতি হন করি।

সম্প্রতি যুক্তরাস্ট্রের এক টিভি শোয়ে অংশগ্রহণ করে সংস্থার সিইও করি নিয়েভস জানান তার বদলে যাওয়ার রহস্য।

করি নিয়েভস বলেন, মাথা খাটিয়ে নিজস্ব রেসিপি উদ্ভাবন করি আমি। তার কুকির ৭৫ শতাংশ উপাদানই জৈবিক। সেখানে কোনো সংরক্ষক বা প্রিজারভেটিভস ব্যবহার করা হয়না।

ব্যবস্যা শুরুর ২ বছরে ফুলেফেঁপে ওঠে লভ্যাংশ। পরে সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত হয় তার প্রতিষ্ঠান। তখন স্কুলের দিকে মনোযোগ দেন এই বিস্ময়বালক।

অর্ডার ও বিক্রির পরিমাণ বাড়তে থাকে। ওয়ানলাইনে বিক্রি হতে থাকে সবচেয়ে বেশি। ১০ বছর বয়সে অবাক করে দেন সবাইকে। স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র হিসাবেও রয়েছেন তিনি।

নজর কাড়ার পর ডাক পান আমেরিকার একটি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে। এই টিভি চ্যানেলে অংশ নেয়ার পরেই শুধু আমেরিকা নয় বিশ্বের সবাই জানতে পারেন এই বালক সম্পর্কে।

১০,০০০ ডলার পুরস্কার দেয়া হয়েছে টিভি চ্যানেলটির পক্ষ থেকে। করির ইচ্ছা প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। এখন তার দৃষ্টি ফ্যাশনের দিকে।
করির ফ্যাশন সেন্স দেখে অনুপ্রাণিত বিশ্ববিখ্যাত পোশাক ব্র্যান্ডগুলিও।

এরই মধ্যে নামী ব্র্যান্ড তাকে মডেল করে শ্যুট করেছে। এছাড়া টিভি কমার্শিয়ালে অভিনয় করেও নাম করেছে কুকি কোম্পানির খুদে কর্তা রনি নিয়েভস।