মেইন ম্যেনু

৫ মাস নয়, ৩ দিনেই যাওয়া যাবে মঙ্গলে: নাসা

মঙ্গলযাত্রায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সময় এসেছে। কেননা, তাদের জন্য একটি সুখবর নিয়ে এসছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। মঙ্গলে মানুষ নিয়ে যাওয়ার জন্যে ‘স্পেশাল লঞ্চ সিস্টেম’ বা এসএলএস নামে পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী রকেট তৈরি করছে তারা।

হিমসাগর এক্সপ্রেসে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী যেতে তিন দিন লেগে যায়। ওই একই সময়ে পৃথিবীর গণ্ডি ছাড়িয়ে মঙ্গলে পৌঁছনো সম্ভব বলে দাবি করছেন নাসা’র এক বিজ্ঞানী।

এখন মঙ্গলে পৌঁছতে প্রায় ৫ মাস সময় লাগে। লেজার প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ৫ মাসের বদলে মাত্র তিন দিনেই মঙ্গলে পৌঁছনো সম্ভব বলে নাসা’র বিজ্ঞানী ফিলিপ লুবিন দাবি করেছেন। আলোককণার ভরবেগের উপরেই এই প্রযুক্তি নির্ভরশীল। যদিও সূর্যের রশ্মিকণার বদলে দৈত্যাকার লেজারের সাহায্যে মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছেন লুবিন এবং তাঁর সহযোগীরা।

লুবিনের মতে, আলোককণা যখন কোনও বস্তুতে প্রতিফলিত হয়, সেই ভরবেগ থেকে কোনও জিনিসকে ধাক্কা দেওয়ার শক্তি তৈরি হয়। বড় আকারের প্রতিফলনযোগ্য ডানা থাকলে লেজারণাকে সেখানে ধাক্কা খাইয়ে মহাকাশযান চালানোর প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপন্ন করা সম্ভব বলে মনে করছেন লুবিন।

লুবিন এবং তাঁর দলবলের এই গবেষণা ইতিমধ্যেই নাসা’র অন অনুমোদন পেয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একশো কেজি ওজনের একটি ‘রোবোটিক স্পেসক্র্যাফট’-কে তিন দিনেই মঙ্গলে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

মঙ্গলে মানুষ নিয়ে যাওয়ার জন্যে ‘স্পেশাল লঞ্চ সিস্টেম’ বা এসএলএস নামে পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী রকেট তৈরি করছে নাসা। তৈরি হয়ে গেলে, এই এসএলএস-এ চেপেই নভোশ্চররা মহাকাশের আরও গভীরে গিয়ে গবেষণা করতে পারবেন।